মোহাম্মদের কি মৃগীরোগ ছিল?
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১০
ইসলাম একটি স্বতন্ত্র ধর্ম কিনা এ বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন করে । এই ধর্ম আরবদের নিজস্ব ভাষায় তাদের যাবতীয় প্রয়োজনকে মেটাত। মেসিডোনিয়ার আলেকজান্ডার যখন আক্রমণাত্মক ছিল না তখনই তিনি আদর্শগত দেউলিয়াত্বে ভুগেছিলেন। অবশ্য ভূমধ্যসাগর ও বলকান অঞ্চলের চমক তাকে একেবারে নি:স্ব করে দিয়েছিল। কিন্তু ইসলামকে বিশ্লেষণ করলে পুরনো নীতি-দর্শনের চুরি করা এলোমেলোভাবে সাজানো কথার ফুলঝুরি ছাড়া অন্য কিছু মনে হয় না।
প্রাচীন পুস্তক এবং প্রথাগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে এটা গড়ে তোলা হয়েছে। ফলে আর্নেস্ট রেনান (Ernest Renan) যতটা গুরুত্বের সাথে বলেছিলেন, সেই 'ইতিহাসের আলোময় আবির্ভাব' এর ধারেকাছেও ইসলাম নেই। ইসলাম যে সব তত্ত্ব ধার করে তৈরি করা হয়েছে, সে সবকেও ভালভাবে আত্মস্থ করতে পারেনি। বরং ধার করা নীতি-আদর্শসমূহের প্রচ্ছায়া হয়ে গেছে। বরং এটা নিজেই নিজের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ তৈরি করেছে। বিনাশর্তে দাসত্ব স্বীকার, জঘন্যভাবে আত্মসমর্পণ, মতভিন্নতা এবং অবিশ্বাসীর কাছ থেকে শ্রদ্ধা আদায়ের অপচেষ্টা ইসলামকে বিতর্কিত করে তুলেছে। বিনা বিচারে মেনে নেয়া বা তার ঔদ্ধত্যকে নির্মোহভাবে বিচার করার বিষয়ে ইসলামের কোন শিক্ষা নেই। না, কোনই শিক্ষা নেই।
আমাদের হিসাব মতে নবী ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে মারা গেছেন। মৃত্যুর সম্পূর্ণ ১২০ বৎসর পরে তার পূর্ণাঙ্গ জীবনকাল ইবনে ইসহাক তৈরি করেছেন। এর মূল কপি হারিয়ে গেছে। পরবর্তীতে ৮৩৪ খ্রিস্টাব্দে মারা যাওয়া ইবনে হিসাম কর্তৃক পুনর্লিখিত কাহিনীর মধ্য দিয়ে নবীকে আমরা চিনতে পারি।
জনরব এর উপর নির্ভর এই অস্পষ্ট জীবনী মোটেও বিশ্বাসযোগ্য নয়। শোনাকথার উপর ভিত্তি করে নবীর অনুসারীরা কোরানকে যেভাবে সাজিয়েছেন তাকেও মেনে নেয়া যায় না। অথবা নবীর বিভিন্ন বক্তব্যকে (যার বেশিরভাগ সেক্রেটারি কর্তৃক লিখিত) কিভাবে সঙ্কলিত করা হয়েছে তার কোন বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। খ্রিস্টানদের সমস্যার চাইতেও এই সমস্যা বেশি জটিল। যিশুর মত মৃত্যুর পরে পুনরুত্থান মোহাম্মদের ক্ষেত্রে ঘটেনি। যিশুর যেমন কোন বংশধর ছিল না, মোহাম্মদের ক্ষেত্রে তেমনটাও ঘটে নি। মোহাম্মদ একজন যুদ্ধবাজ অধিনায়ক এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন। মেসিডোনিয়ার আলেকজান্ডারের মত মোহাম্মদ নি:সন্তান ছিলেন না। তারপরও তার স্থানে কে বসবে সে বিষয়ে কোন নির্দেশনা দিয়ে যান নি। তিনি মারা যাবার প্রায় সাথে সাথে নেতৃত্ব নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। তিনি মারা যাবার সাথে সাথেই ইসলাম ভেঙে শিয়া ও সুন্নী দু'ভাবে বিভক্ত হয়ে যায়। কোন মতবাদের ত্রুটি চিহ্নিত করা ছাড়া আমাদের কোন সম্প্রদায়ের পক্ষাবলম্বন করার দরকার নেই। জাগতিক খলিফার পদের জন্য ঝগড়া, বিবাদ, লড়াই, দাঙ্গা ইসলামের প্রাথমিক পরিচয়কে স্পষ্ট করে তোলে। নবির ছেড়ে যাওয়া পোষাক কে পড়বে তা নিয়ে যে ধরণের ঝগড়া ফ্যাসাদ ইসলামের প্রাথমিক যুগে হয়েছে তাতে ইসলামকে প্রথম থেকেই মানুষের তৈরি বলে চিহ্নিত করেছে।
মোহাম্মদ মারা যাবার অব্যবহিত পর আবু বকর খলিফরর দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়। এই সময়ে কয়েকজন মুসলিম নেতা সন্দেহ করেন যে মোহাম্মদের বাণী মানুষ হয়ত ভুলে গেছে। সেই সময়ে বিভিন্ন যুদ্ধে অসংখ্য মুসলিম সৈন্য মারা গেছে। মোহাম্মদের কাছাকাছি থেকে যারা নিজ কানে তার বিভিন্ন বক্তব্য শুনেছে তাদের সংখ্যা আশংকাজনকহারে কমতে শুরু করেছিল। তখন জীবিতদের কাছ থেকে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্যকে সংরক্ষণের কথা চিন্তা করা হল। কাগজ, পাথর, তালপাতা, হাড়, চামড়া ইত্যাদি মাধ্যমে লিখে রাখা শুরু হল। এই লেখাগুলোকে পাণ্ডুলিপি হিসেবে নবীর প্রাক্তন সচিব জাইদ বিন তাহবিত এর কাছে এর সবগুলো জমা রেখে সংরক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হল। এই সংগ্রহ সম্পূর্ণ হবার পর বিশ্বাসীরা একটি যথাযথ তথ্যসূত্রের আকর বলে স্বীকৃতি দিল।
এই ঘটনার যথার্থতা বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় কোরান এবং মোহাম্মদের জীবন কাল সমসাময়িক। এতে উপরের কাহিনীর সময়কাল নিয়ে দলমত নির্বিশেষে কোন ঐক্যমত্য নেই। কেউ বলে 'আলি প্রথম নয়, সে চতুর্থ খলিফা এবং শিয়া মতবাদের প্রবক্তা।' অন্যরা বিশেষত অধিকাংশ সুন্নীর দাবী এটা খলিফা ওসমানের কাজ। তিনি ৬৪৪ থেকে ৬৫৬ সার পর্যন্ত শাসন করেছিলেন। তিনিই শিয়া সুন্নী বিভেদটাকে পাকাপোক্ত করেছেন।
ওসমানের সেনাপতি একদিন বলছিল যে, কোরানের পরস্পরবিরোধীতা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা সৈন্যরা মাঝেমধ্যেই মারামারি করে। তখন ওসমান কোরানের বিভিন্ন অংশগুলো। একখানে জড়ো করার জন্য জায়েদ ইবনে তাহবিতকে (Zaid ibn Tahbit) আদেশ দেন। বিভিন্নরকম কোরান একখানে জড়ো করে একটি একক কোরানে রূপান্তর করা হয়। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে খলিফা ওসান সেগুলোর কপি কুফা, বসরা, দামেস্কসহ বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে দেন। আর একটি কপি মদিনায় রেখে দেন। এই ক্ষেত্রে ওসমান একটি বিশেষ কাজ করেন। আলেকজান্দ্রিয়ার বিশপ আথানাসিয়াস (Athanasius) এবং ইরেনাস (Irenaeus) যেমন খ্রিস্টিয় বাইবেলকে প্রমিত করার জন্য বিভিন্ন ধারাগুলোকে সংশোধন করেছিলেন ঠিক তেমন কোরানের বিভিন্ন অংশকে ওসমান সংশোধন করেন। তিনি কোরানের কিছু অংশকে প্রমিত পাঠ এবং অভ্রান্ত বলে ঘোষণা দেন। আর বাকী অংশকে অপ্রামাণ্য বলে চিহ্নিত করেন। আথানাসিয়াসের মত ওসমান কোরানের আগের সংস্করণ এবং পরস্পরবিরোধী অংশগুলোকে ধ্বংস করার আদেশ দেন।
কোরানের এই নতুন সংস্করণটিকেও যদি সঠিক বলে ধেরে নেয়া হয়, তাহলে মোহাম্মদের সময়ে আসলে ঠিক কি ঘটেছিল সে ম্পর্কে কিছু আন্দাজ করা, সংশোধন করা বা আলোচনা করার কোন সুযোগ পণ্ডিতদের নেই। ওসমান সব ধরণের বিভ্রান্তির পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ওসমান সব ধরণের বিভ্রান্তির পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। লিখিত আরবী ভাষার দুইটি রূপ এভাষা শিক্ষায় ইচ্ছুক বিদেশীদের কাছে জটিল করে তুলেছে। কিছু ব্যাঞ্জনবর্ণ যেমন 'ব' এবং 'ত' কে আলাদা করার জন্য এই ভাষায় বিন্দু'কে ব্যবহার করা হয়। প্রাচীন আরবী ভাষায় হ্রস্ব স্বরবর্ণকে বোঝাবার জন্য কোন চিহ্নের ব্যবহার হত না। তার বদলে বরং বিভিন্ন রকম ড্যাশ ও কমার মত দাগ দেয়া হত। এই ধরণের পার্থক্য ওসমানের বিভিন্ন কোরানের মধ্যেও ছিল। আরবি লিপি নিজেও নবম শতকের শেষভাগের আগে প্রমিত রূপ লাভ করেনি। এই সমসাময়িক সময় বিন্দু ছাড়া ও অস্বাভাবিক স্বরবর্ণের সমন্বয়ে লেখা কোরানের বিভিন্ন প্রকারের ভাষ্য বহুল প্রচারিত হয়েছিল। এটা এখনও চলে আসছে। এ ধরণের ঘটনা 'ইলিয়াড' এর জন্য কোন সমস্যা নয়। কিন্তু মনে রাখবেন আমরা আল্লাহর অপরিবর্তনীয় এবং শেষ বাণী নিয়ে কথা বলছি। এটা স্পষ্ট যে এই দাবীটি সম্পূর্ণ দুর্বল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। কোরানকে অপরিবর্তনীয় বলাটা নিশ্চিত গোঁড়ামীর উপর ভর করেই এতদূর এসেছে। আরেকটি উদাহরণ বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। জেরুজালেমের ডোম অফ রক (Dome of the Rock) এর বাইরে লিখিত সব আরবি শব্দ কোরানের যে কোন সংস্করণের চাইতে আলাদা।
মোহাম্মদের কথা ও কার্যাবলীর আকর, মুখে মুখে রচিত দ্বিতীয় প্রধান গ্রন্থ হাদীসকে সামনে আনলে দেখা যাবে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় ও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। হাদীসকে কোরানের বাণীর সংকলন এবং মোহাম্মদের স্পর্শধন্য বলে প্রচার করা হয়। কোন হাদীসকে প্রামাণিক বলতে হলে তাকে কোন নির্ভরযোগ্য উৎস অথবা ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। অনেক মুসলমান তাদের প্রাত্যাহিক জীবনের বিভিন্ন কার্যাবলী এই হাদীস দিয়ে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাখ্যা করে থাকে। তারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে মোহাম্মদ তার নিজ জীবনে যেমন করেছেন, যে সব আচরণ করেছেন, মানুষকেও ঠিক তেমন আচরণ করতে হবে।
হাদীসের ছয় রকম প্রামাণ্য সংকলনগুলো সব জনশ্রুতির উপর ভিত্তি করে রচিত। এগুলো জনশ্রুতি থেকে তৈরি হওয়া আরেক জনশ্রুতির উপর দাঁড় করানো। যেন ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লম্বা সুতোর এলোমেলো গোলা। এর অর্থ 'ক' বলেছে 'খ' কে, 'ক' সেটা শুনেছে 'গ' এর কাছ থেকে, 'গ' আবার সেটা শুনেছে 'ঘ' এর মুখ থেকে।
আরোপিত ব্যাখ্যাকে বিশ্বাসযোগ্য করার উদ্দেশ্যে শত বৎসর ধরে এগুলোকে একত্রিত করা হয়েছে। হাদীসের ছয় জন সংকলকের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত হলেন বুখারি। তিনি মোহাম্মদের মৃত্যুর ২৩৮ বছর পর মারা যান। বুখারির সংগ্রহকে মুসলমানরা সবচাইতে নির্ভরযোগ্য এবং সত্যি বলে গণ্য করে। তাঁর যোগ্যতার মাপকাঠি সম্পর্কেও মুসলমানদের মধ্যে সুখ্যাতি আছে। তিনি হাদীস সংগ্রহের জন্য সারাজীবনে ত্রিশ লক্ষ সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে বিশ লক্ষ সাক্ষ্যকে তিনি মূল্যহীন এবং অগ্রহণযোগ্য বলে চিহ্নিত করেছেন। আরও কিছু সন্দেহজনক, অনিশ্চিত, দ্বিধাপূর্ণ বিশ্বাস এবং প্রশ্নবিদ্ধ ধর্মীয় আচরণের কারণে বর্জন করতেকরতে তার সংগৃহীত হাদীসের সংখ্যা মোট দশ হাজারে নেমে আসে। আপনার যদি খুঁতখুঁতে স্বভাব থাকে তবুও আপনি এইগুলোতে বিশ্বাস রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্য আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীন। মোহাম্মদের মৃত্যুর দুইশত বৎসরেরও বেশি সময় পরে ধার্মিক বুখারি ব্যাপক অজ্ঞতা ও আংশিক স্মরণে থাকা তথ্যাবলি থেকে যেগুলো নিখুঁত ও পরীক্ষায় উতরে গেছে শুধু সেগুলোই গ্রহণ করেছেন।
খুব সম্ভব এই মানবীয় বাগাড়ম্বরপূর্ণ সিদ্ধান্ত সার্বিক সমস্যার সমাপ্তি টানার চাইতে অধিকতর 'অভ্রান্ত' ছিল। অসংখ্য পরস্পরবিরোধীতা এবং অসঙ্গতির কারণে পরিশেষে কোন কোরাসূত্রকেই প্রামাণ করা সম্ভব হত না। সালমান রুশদী এইসব কারণে কোরানকে "শয়তানের বাণী" বলে অভিযুক্ত করেছেন। এই সুযোগে আরেকটি বিশেষ কথা জানাই। মোহাম্মদ সেই সময়ের মক্কার কয়েকটি বহুঈশ্বরবাদী নেতার মন পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এজন্য তাদেরকে পুরনো স্থানীয় বিশ্বাসের চর্চা চালিয়ে যেতে অনুমতি দেয়ার জন্য প্রত্যাদেশ পেয়েছিলেন। পরে হঠাৎ তার মনে হল এমনটা চলতে দেয়া ঠিক নয়। শয়তানের কোন সুক্ষ্ম চাল হয়তো তাকে এ বিষয়ে সতর্ক হতে দেয় নি। শয়তান নিশ্চয় একেশ্বরবাদের বিপক্ষে অব্যাহত লড়াইয়ের অংশ হিসেবে তাকে এ বিষয়ে মনোযোগী হতে দেয় নি। (মোহাম্মদ শুধু শয়তানে নয়, মরুভূমির কম শক্তির অন্যান্য আধিভৌতিক শক্তিকেও বিশ্বাস করতেন, যেমন জ্বিন)। নবীর স্ত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ তাকে সতর্ক করে বলেছিল যে এই সাময়িক সুবিধা পাবার জন্য যে প্রত্যাদেশ তিনি পেয়েছিলেন আখেরে তা তাকে বিদ্রুপ করতে পারে।
কেউ বিশ্বাস করুক আর নাই করুক, আমাদেরকে আরও বলা হয়েছে যে যখন তিনি প্রকাশ্যে প্রত্যাদেশ পেতেন তখন তার শরীরে খিঁচুনি শুরু হত, তার সর্বাঙ্গ কাঁপতে থাকতো, কানে ঘন্টা ধ্বনির তীব্র শব্দ শুনতেন। ঠাণ্ডা দিনেও তার শরীর দিয়ে ঘাম ছুটত। কোন কোন হৃদয়হীন খ্রিস্টান অবশ্য বলে থাকে যে মোহাম্মদের মৃগীরোগ ছিল। (তারা দামাস্কাসের রাস্তার পল এর একই রকম উপসর্গকে চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে)। আপাতত এ বিষয়ে আলোচনা করার কোন দরকার নেই। কারণ ডেভিড হিউমের 'উপেক্ষা করা কঠিন এমন প্রশ্নাবলী' আমরা ইতিমধ্যে উত্থাপন করেছি। এটা খুব সম্ভব যে পূর্ব থেকেই প্রচলিত ধারণা যে ঐশ্বরিক বাণীর প্রচারক হিসেবে আল্লাহর একজন মানুষকে ব্যবহার করা উচিত। অথবা পূর্ব থেকে প্রচলিত নিয়মগুলোকে চালু রাখা বা নিজে গভীরভাবে বিশ্বাস করা উচিত, কারণ আল্লাহ সেগুলো করতে বলেছেন। শারীরিক ব্যথা, খিঁচুনি অথবা ঘামে ভিজে যাওয়া যাই বলুন না কেন, আল্লাহর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ হওয়াটা মোটেও কোন শান্ত, সুন্দর, নির্ঝঞ্ঝাট বিষয় নয়।
ক্রিস্টোফার হিচেনস
অনুবাদ: অগ্নি অধিরূঢ়
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ৫৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৩ পারভেজ বলেছেন: "হাদীসকে কোরানের বাণীর সংকলন এবং মোহাম্মদের স্পর্শধন্য বলে প্রচার করা হয়। " এটা আবার কই পেলো?
ফাউল পোস্ট! বিতর্ক সৃষ্টির জন্য!
২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৪ মনজুরুল হক বলেছেন: এ্যাড করে রাখলাম। পরে পড়ব। অত্যন্ত জরুরি বিষয়।ধন্যবাদ
৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৭ চিকনমিয়া বলেছেন: ভালা লাগেনাই
৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮ আঠারো বছর বয়স বলেছেন: পুষ্টের লগে মুহাম্মদের মৃগী রোগ থাকার সম্পর্ক কি?
৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৮ বিডি আইডল বলেছেন: ফাউল পোস্ট জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২০ বঙ্গদেশ বলেছেন: এ আর এমন কি? এর চেয়েও বিতর্কিত লেখা হইল নিচের এইডা
Click Here
৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২০ হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/5358
http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/5441
http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/5441
http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/5708
http://www.somewhereinblog.net/blog/kkk/5365
৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৪ অ্যামাটার বলেছেন: ওরে...তোরা সব শুন রে...!
দ্যাশে ইদানিং মানুষিক প্রতিবন্ধির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়তেছে,
আর বল্গ হৈতেছে এই সব আবর্জনার পুনর্বাসন কেন্দ্র...
৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৫ বিবর্তনবাদী বলেছেন: ছ্যাচরা পোস্টে
১০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৭ সাগর সরকার বলেছেন: অ্যামাটার বলেছেন:মানুষিক প্রতিবন্ধির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়তেছে।
১১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৯ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পুরা পাংখা, অগ্নি অধিরূঢ় মিয়ারে ট্যাংকু দিয়া দিয়েন। কুরানের সংস্কারক হিসেব উসমানের বিশেষ সম্মান প্রাপ্য - রাসুল না, মে বি ছোটখাট নবীর সম্মান তার পাওয়া উচিত।
১২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৩ গুপী গায়েন বলেছেন: ক্রিস্টোফার হিচেনস এর বয়স কত? সেকি সেই যুগে আছিল? সব দেখেছে? সে যে বানোয়াট নয় তা কে বলবে? আর তেনার তল্পী ধারক হিসেবে.... বাকারপোচ কাহিকার।
মাাাাাাাাাাাাইনাস ___________________
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৩ একজন ব্লগার বলেছেন: যে লিংক দিছেন সেইটা তো বেশীর ভাগই ইসলামে যৌনতা নিয়ে। এর বাইরে ইসলামে কিছু নাই? এতদিন পর আইসা এইরকম আবালীয় একটা পোস্ট দেবার জন্য কইষষা মাইনাষ! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৭ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
কোটোমোটোবোটো দাদা, ইসলামে আর কি কি আছে? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৭ শান্তির দেবদূত বলেছেন: হা হা হা .... ভয়ানক রকমের হাস্যকর পোষ্ট......... হা হা হা
রাজাকারা যেমন নতুন ইতিহাস বানায়, প্রচারের চেষ্টা করে গু.আজম আছিলো দেশপ্রেমিক, তেমনি এইসব নব্য নাস্তিক নতুন নতুন ইতিহাস, থিউরী বানাইতাছে ....... হা হা হা ..... এই দুই গ্রুপের পাবলিকেরই মস্তিস্কে পচন ধরিয়াছে ......।
আসলে আমাদের দেশে এখন সরকারী খরচে ২ টা নিরাময় কেন্দ্র খুলা আবশ্যক, প্রথমটা হইলো, রাজাকার নিরাময় কেন্দ্র আর দ্বিতীয়টা হইলো নাস্তিক নিয়াময় কেন্দ্র .......।
রিলেটেড লিংক
সুরুজ আলী - লুকিং ফর “পটল” ইন দা শেক্সপীয়ার।
সুরুজ আলীর -- এ হালাল জার্নি উইত সুরুজ আলী জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৩
লেখক বলেছেন: রাজাকার 'নিরাময়' করতে চান আপনি... আমি তো তাদের পুঁতে ফেলতে চাই সাত হাত মাটির নিচে!
সুশীল ধার্মিক ভাইজান, নিজের সাথে পরিষ্কার হওয়া দরকার আগে!
মুছে ফেলুন
১৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৯ চোরকাঁটা বলেছেন: প্রেমেন মিত্তিরের ঘনাদার নিক নিছেন কি মনে কইরা?!!
ঘনাদা চাপাবাজ হইলেও আজাইরা চাপা দিত না!!
ফালতু পোস্ট!!!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৪ মাসুদ রানা* বলেছেন: গ্রামে একটা কথা আছে "আজাইরা খাইয়া গজাইরা গীত গাওয়া"। এই বেটা লেখক দেখতেছি সেই রকম কিছুই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৫ একরামুল হক শামীম বলেছেন: পোস্ট এবং পোস্টের শিরোনাম ভালো লাগে নি। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৫ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@শান্তির দেবদূত
ড়াজাকার আর নাস্তিককে এক করে দেখার যুক্তিটা কি? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৭ বঙ্গদেশ বলেছেন: এ আর এমন কি? এর চেয়েও বিতর্কিত লেখা হইল নিচের এইডা
Click Here
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৭ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: পোস্ট এবং মন্তব্যগুলো পড়লাম। পোস্টটির যারা বিরোধিতা করেছেন তাদের কেউই কিন্তু সত্যিকার অর্থে এর বিরুদ্ধে কোনরূপ যুক্তি উত্থাপন করেননি।
এমনটিই হয়। তবুতো এরা ভাল। মোহাম্মদ তো তার জনৈক বিরুদ্ধাচারীকে (ইহুদী) মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সত্যি সত্যি তার মাথামোটা দুবৃত্ত সাঙ্গপাঙ্গদের একজন সেই লোককে মেরে ফেলে।
মোহাম্মদের সাফল্য-ব্যর্থতা দেখার জন্য বেশীদূর যেতে হবে না। কেবল তার নিজভূমি সৌদির দিকে তাকালেই যথেষ্ট। আইয়ামে জাহেলিয়াত কোন অংশে নেই সেখানে? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫১ আরিফুর রহমান বলেছেন: মানুষের পৃথিবী মনে হয় এ বিষয়ে বলেছেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৪ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ফিরুজ্জা, আবার লাগব ট্রিটমেন্ট? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৫ পারভেজ বলেছেন: জামাত যেমন ইসলামের ধারক বাহক না, সৌদি আরবও আদর্শ মুসলিম রাষ্ট্র বলে সচেতন কেউ দাবী করবে না! এই ব্লগে যা দেয়া হয়েছে, একটারও কোন প্রমাণিত রেফারেন্স নাই, তাই বিরোধীতা করবে কিসের উপর? মন গড়া কথা লিখে বিতর্ক সবাই সৃষ্টি করতে পারে! দেশের ১২/১৪ টা বেজে গেলেও তাদের ক্ষতি নাই! ধর্ম নিয়ে খোঁচা খুঁচি করার উৎসাহের অভাব হয়না কখোনো!!! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৩ শান্তির দেবদূত বলেছেন: @প্রশ্নোত্তর
আমি এক বলতে বুঝাচ্ছি, এই দুই গ্রুপই কিছু কন্সপারেসি থিউরী পোষ্ট করে সাধারন মানুষের আবেগে , বিশ্বাসে অযোক্তিক ভাবে আঘাত করে।
একজন বাংলাদেশি হিসাবে যখন ড়াজাকারা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে যখন ১৫ কোটি মানুষের ভালোবাসায় আঘাত পরে তখন ইচ্ছা করে ুয়োরের বাচ্ছা গুলোরে লাত্থাইয়া মাইরা ফালাই
এখন অন্যদিকে আনুমানিক ১৫০ কোটি মানুষের প্রানের চেয়ে প্রিয় মোহাম্মদ (সাঃ) এর বিরুদ্ধে যখন একই ভাবে অপপ্রচার করে তখন একজন ধর্মপ্রান মানুষ হিসাবে আমার কেমন লাগে তা কি আপনি অনুভব করতে পারেন ?
এখন কথাহলো, তাহলে কি কারও কোন সমালোচনা করা যাবে না ? সেইটা অবশ্যই যাবে, কিন্তু তা হবে একে অন্যকের সম্মান করা মাধ্যমে, যুক্তিভিক্তিক, একাডেমিক সোর্স সহকারে.....।
আপনি দেখবেন, আমার ফ্যাবারেট লিংকে ব্লগার "নাস্তিকের ধর্মকথা" এড করা আছে। উনার সাথে আমার বিশ্বাস না মিলতে পারে কিন্তু আমি উনাকে যথেষ্ঠ অনার করি, বলতে পারেন আমি উনার ভক্ত।
কিন্তু, কোন রকম আলোচনায় না এসে, উড়ো একটা পোষ্ট দিয়ে এরকম অস্হিরতা তৈরী করে কারা তা নিশ্চই আপনি জানেন। এখন যদি এই পোষ্টের উত্তর দিতে হয় তাহলে তা দাড়াবে বিশাল একটা ব্যাপার। কিন্তু লাভের লাভ হবে কয়দিন পর আবাই একই টাইপ পোষ্ট আসবে .......
আশা করি বুঝাতে পেরেছি জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৯
লেখক বলেছেন: দেবদূত ভাইয়া,
আপনি নিজে কি কখনো নিজের ভেতরে গভীরে খুঁজে দেখেছেন, কেন আপনার এই অক্ষম আক্রোশ জেগে ওঠে মুহম্মদের জারিজুরি কেউ ফাঁস করে দিলে!
আসলে ছোটবেলা থেকে এটাই সবাইকে শেখানো হয়, আমাদের অজান্তেই আমরা ব্রেনওয়াশড্ হয়ে যাই হুজুরদের দ্বারা!
তারা দেখবেন যেকোন ওয়াজে আপনাদের 'ছব্ক' দেবার সময় কেমন ধমকের সুরে কথা বলে.... আপনারা নিজের অজান্তেই ঠিক সেটাই ফলো করেন।
সহনশীল হতে হবে ভাইয়া, একটা সময় ছিলো মানুষকে ধুনফুন বোঝাতে পারতো হুজুর-পাল।
দিন বদলেছে...
মুছে ফেলুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১১
লেখক বলেছেন: আর এই দেরশ কোটি মানুষের অন্ততঃ ১৩০ কোটিই বাস করে দারিদ্র সীমার নীচে। এদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে না। এরা তাই হুজুরদের মগজধোলাইয়ের শিকার হয় বড় সহজে!
মুছে ফেলুন
২৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৫ শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভাই, আপনি শুধু আমার অক্ষম আক্রোশ জেগে ওঠার একটা দিক তুলে ধরেছেন, আর বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারটা পাশকাটিয়ে চলে গেছেন ...... হা হা হা।
আর আপনাকে বলছি, আমার আগের উত্তরের শেষ তিনটা প্যারা আপনি না দেখেই (আমি মানি আপানার মত যুক্তিবাদী মানুষের এইটা অনিচ্ছাকৃত ভুল) আমার কমেন্টের উত্তর দিয়েছেন ..... তাই এইখানে আবার তুলে ধরছি।
"
এখন কথা হলো, তাহলে কি কারও কোন সমালোচনা করা যাবে না ? সেইটা অবশ্যই যাবে, কিন্তু তা হবে একে অন্যকের সম্মান করা মাধ্যমে, যুক্তিভিক্তিক, একাডেমিক সোর্স সহকারে.....।
আপনি দেখবেন, আমার ফ্যাবারেট লিংকে ব্লগার "নাস্তিকের ধর্মকথা" এড করা আছে। উনার সাথে আমার বিশ্বাস না মিলতে পারে কিন্তু আমি উনাকে যথেষ্ঠ অনার করি, বলতে পারেন আমি উনার ভক্ত।
কিন্তু, কোন রকম আলোচনায় না এসে, উড়ো একটা পোষ্ট দিয়ে এরকম অস্হিরতা তৈরী করে কারা তা নিশ্চই আপনি জানেন। এখন যদি এই পোষ্টের উত্তর দিতে হয় তাহলে তা দাড়াবে বিশাল একটা ব্যাপার। কিন্তু লাভের লাভ হবে কয়দিন পর আবাই একই টাইপ পোষ্ট আসবে .......
" জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২১
লেখক বলেছেন: ড়াজাকার ুয়রের বাচ্চাগুলিরে লাত্থাইয়া মাইরা ফেলনের 'ইচ্ছা' করে আপনার। আমারও করে।
কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি, কেন এতদিনেও আমরা ওদের কেশাগ্র স্পর্শ করতে পারি নি?
কারন সুশীল ধার্মিরা ওদের সবচে বড়ো ঢাল। ঠিক আপনারই মতো ধার্মিকগন একদিকে ধর্মকে বাঁচাতে চাইবেন, সে ধর্মেই সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে অপকর্ম করার। যে অপকর্ম রাজাকারেরা করেছে... যে অপকর্মের সাফাই আজো ড়াজাকারেরা গেয়ে যায়!
আক্রোশটা্ দিয়ে প্রথমে ঢালটা ভেঙ্গে ফেলতে হবে রে ভাই, প্রথম কাজ সেটা!
মুছে ফেলুন
২৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৫ গুপী গায়েন বলেছেন: হয় আপনি নিজেকে বিশাল কিছু ভাবেন, নচেৎ কোথাও এ্যামুন .....দানী খাইছেন যে জায়গা না পাইয়া এইখানে আইসা...
যাউক দিনযে বদলেছে, তা আপনাদের দেখলে বেশ বোঝা যায়।
"দুদিনে যোগী, ভাতরে কয় অন্ন" জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২২
লেখক বলেছেন: তাই?
মুছে ফেলুন
২৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৯ তারিক টুকু বলেছেন: ফাউল পোস্ট। নিতান্তই ফাউল। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৩ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ওকে, অর্থাত, পোষ্টের সাথে আপনার দ্বিমত আছে। কোন সমস্যা নেই, বরং এটারই দরকার। মতের ভিন্নতা থাকবে, যুক্তির প্রাবাল্যের পার্থক্য থাকবে, তবেই না সভ্যতার অগ্রগতি হবে।
কিন্তু, ঝামেলাটা বাঁধে তখনই যখন বুঝদার মানুষ র্যাশনাল ছেড়ে অন্ধ আবেগে আপ্লুত হয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৫ শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনি ভাই আবারও আমার শেষ তিনটা প্যারা পাশকাটায়া চইলা গেলেন....... হা হা হা
বাংলাদেশের আনুমানিক ৯০% মুসলমান, আর ড়াজাকারারা কি ৬% বা ৭% এর বেশি হবে বলে মনে করেন ? তাহলে সমস্যাটা কোথায় ? আরে ভাই, আপনিতো, ফোড়া কাটতে গিয়া মাথাই কাইটা ফালাইতে চাচ্ছেন !! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩১
লেখক বলেছেন: সমস্যাতো ঐ খানেই!
এই ৭% ড়াজাকার আর ১% রাজাকারগো ছাপোর্ট দিাতছে কে?
ভাইবা দেখেন তো?
(উত্তরটা আমি জানি... 'আপনে', কারন ধর্মের নামে আকাম গুলা করেছিলো বলে আপনি কেন যেন এদের ব্যাপারে একটু নরম, কারন এদের মুখে আপনার মতোই মুহম্মদ/আল্লার নাম গুনগুন করে...)
মুছে ফেলুন
৩১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৭ গুপী গায়েন বলেছেন: তাই মানে!! আলবৎ!!!!!!! - - - - - - - - - -- - - জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৫
লেখক বলেছেন: হাহাহাহ!
মুছে ফেলুন
৩২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৯ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
...আর সেই সুযোগটাই নেয় প্রতিক্রিয়াশীল চক্র। মানুষের যুক্তির পথে চলার সকল পথই বন্ধ করে দেয়। যে শ্রেণীর মানুষের এই বুঝটুকু আছে তাদের ওপর এমনিতেই দায় চলে আসে যৌক্তিক চেতনা ও মননের পথ পরিষ্কার রাখা।
@শান্তির দেবদূত জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩০ দ্বিতীয়নাম বলেছেন: +
মন্তব্য পইড়া মনে হইতাছে আমাগো ইচলামপছন্দ পাবলিক মাথা আর কোলনে একই বস্তু নিয়া চলে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩০ সাহোশি৬ বলেছেন: মোহাম্মদের চরিত্র ফুলের চেয়েও পবিত্র। এবার মোহাম্মদের চরিত্রের উদাহারন দেয়া যাক
১। ৫০ উর্ধ্ব বয়সে ৯ বছরের বালিকাকে বিয়ে করেছিলেন
২। তাঁর বউয়ের সংখ্যা ১৬
৩। তাঁর দুইজন রক্ষিতা ছিল (সিরিয়া হতে আগত)
৪। নিজের পালিত পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করেছিলেন
৫। ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন ৪০ বছর বয়স্কা নারীকে
৬। যুদ্ধবাজ
৭। খয়বরের যুদ্ধের পর প্রায় নয়শ' ইহুদিকে মেরে ফেলা হয়েছিল মোহাম্মদের নির্দেশে
৮। মদীনায় হিজরতের পর মোহাম্মদ একটা ক্ষুদ্র গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, তারা ব্যবসায়ীদের ক্যারাভান ছিনতাই করত।
৯। মোহাম্মদের নির্দেশে একজন মহিলাকে হত্যা করা হয় যার শিশু সন্তান ছিল, মহিলার অপরাধ ছিল সে মোহাম্মদের নীতির বিরোধী ছিল। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৪
লেখক বলেছেন: ১০। বিরুদ্ধমত সহ্য করতে পারতো না। শিরচ্ছেদ করা হতো।
১১। কল্পনাতেও সে মনকলা খাইতো। জিব্রাইল একটি নারী চরিত্র, সেই নারী চরিত্র নাকি তাকে জড়িয়ে ধরেছিলো ফিটের ব্যারামের প্রথম এনকাউন্টারে।
১২। বোররাক নামের ঘোড়াটাও নারী চরিত্র। খৈয়াল কৈরা...
মুছে ফেলুন
৩৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৭ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@শান্তির দেবদূত
ভাই একটা কথার উত্তর দেবেন? এই পোষ্টে রাজাকার এল কেমন করে? অনেষ্টলি উত্তর দেবেন প্লীজ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪১
লেখক বলেছেন: রাজাকাররা মুহম্মদের সাক্ষাত স্যাঙ্গাৎ বলেই মনে হয় এসেছে..
দেবদুত ভাইয়াও মুহম্মদকে ভালো পায়, তবে রাজাকারদের ব্যাপারে একটু নরম!
সকল ধার্মিকই তাই! যতোদিন পাবলিক এই হুজুরপালের শ্রাদ্ধ করতে না পারবে, ততোদিন রাজাকারপাল দাবড়িয়ে বেড়াবে এই সোনার বাংলা!
হায়.. সোনার বাংলা...!
মুছে ফেলুন
৩৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪০ হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পুরা পাংখা, অগ্নি অধিরূঢ় মিয়ারে ট্যাংকু দিয়া দিয়েন। কুরানের সংস্কারক হিসেব উসমানের বিশেষ সম্মান প্রাপ্য - রাসুল না, মে বি ছোটখাট নবীর সম্মান তার পাওয়া উচিত। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪২
লেখক বলেছেন: হ!
মুছে ফেলুন
৩৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪১ শান্তির দেবদূত বলেছেন: @ঘনাদা,
আবারও ভুল বুঝলেন, আরে ভাই ধর্মের নামে আকাম গুলা করছে বইলাইতো ওদের বিরুদ্ধে সাধারন ধর্মপ্রান মুসলমানরা বেশি ক্ষেপা !! গু.আজমের বাইতুল মোকারমে জুতা দিয়ে কি নাস্তিকরা পিটাইছিলো নাকি ধর্মপ্রান মুসলমানরা পিটাইছিলো ?
আর সমস্য হলো, এই ধরনের বিতর্কিত পোষ্টে যুক্তি পাল্টা যুক্তি চলতেই থাকে, নেভার এনডিং টাইপ। তার পর প্রসংঙ্গ প্রতি মুহুর্তে মুহুর্তে চেন্জ হয়ে যায়......।
যাক, আপনি ভাবছেন, আগে দেশ থেকে ইসলাম দুর করতে হবে তার পর ড়াজাকার দুর হয়ে যাবে...... আর আমি ভাবছি, আগে দেশের মানুষকে প্রক্বত ইসলাম জানাতে হবে , তাহলে এইসব ধর্মিকরাই জুতা মাইরা রাজাকার খেদাইবো দেশে থেইকা , যেমনে গু. আজমের পিটাইছিলো।
এখন দেখা যাক, আপনি আপনার চেষ্টা করে জান, সময় বলে দিবে কে সঠিক। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৮
লেখক বলেছেন: সর্দি কাশি যেমন কোনদিন চলে যায় না.... তেমনি ধর্ম কোনদিন দুর হবে না! সে চেষ্টা করা বাতুলতা মাত্র!
তবে ধর্মের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ওপর প্রভাব চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। সকল যুদ্ধাপরাধীদের তখন জনসমক্ষে জ্যান্ত চামড়া ছিলে নেয়া সম্ভব হবে।
ধর্মের রাজনৈতিক শক্তি যেদিন থেকে খর্ব হয়ে যাবে, সেদিন থেকে ধর্ম ব্যাক্তিগত গন্ডিতে (যেখানে ধর্মের প্রকৃত অবস্থান) চলে যাবে।
দেশে গোঁড়ামী, কুপমন্ডুকতা, শিবিরিয় সহিংসতা নির্মূলে হাত দিতে হবে তখন।
মুছে ফেলুন
৩৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪২ এম্নিতেই বলেছেন: ৭। খয়বরের যুদ্ধের পর প্রায় নয়শ' ইহুদিকে মেরে ফেলা হয়েছিল মোহাম্মদের নির্দেশে
// আরেক আবাল... ইহুদিরা তো তোমার শ্বশুরবাড়ির লোক!!
অল্প বিদ্যা নিয়া ফাল পাইরোনা মিয়া!! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫২
লেখক বলেছেন: Click This Link
মুছে ফেলুন
৩৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৪ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: একদিকে লাখ লাখ মানুষ শুয়ে থাকে খোলা আকাশের নীচে। আরেকদিকে লাখ লাখ একর (সারা দেশ ব্যপী) জমি দখল করে আছে মসজিদ।
একদিকে এই বিস্তির্ণ বাংলাভূমিতে নিরন্ন/অর্ধান্নের হাহাকার, অভাব খামচে ধরে নাড়ি-ভুড়ি। আরেকদিকে কোরবানীর নামে একদিনে কয়েকহাজার কোটি টাকার অপচয়।
এই নাহলে কি অন্ধতা? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৪
লেখক বলেছেন: হুজুর/মোল্লা নামের এই রক্তচোষা আনপ্রডাক্টিভ গোষ্ঠী দিনের পর দিন সরলপ্রাণ ধার্মিকের সরলতার সুযোগ নেয়। এদের ঘরে প্রতিদিন দাওয়াত খায় চেটেপুটে।
গ্রামসুদ্ধ মানুষের মাথা ভরিয়ে তোলে কৌরানিক ছাঁইপাশ দিয়ে।
মানুষ কখনোই সামনে এগুতে পারে না!
মুছে ফেলুন
৪০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫২ শান্তির দেবদূত বলেছেন: @প্রশ্নোত্তর
এই পোষ্টের একদম প্রথম দিকে,
অ্যামাটার বলেছেন: ওরে...তোরা সব শুন রে...!
দ্যাশে ইদানিং মানুষিক প্রতিবন্ধির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়তেছে,
আর বল্গ হৈতেছে এই সব আবর্জনার পুনর্বাসন কেন্দ্র... ------------ আমি মনে করতাম শুধুমাত্র রাজাকাররাই মানুষিক প্রতিবন্ধির ..... অ্যামাটারের ঐ কমেন্ট দেখেই এই ব্যাপারটা মাথায় এসেছে জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৫
লেখক বলেছেন: প্রতিবন্ধী বানানটাও ঠিক নেই!
মুছে ফেলুন
৪১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৮ শান্তির দেবদূত বলেছেন: ঘনাদা , আমিতো খালি কপি করছি অ্যামাটারের কমেন্ট জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৮
লেখক বলেছেন: হমম..
মুছে ফেলুন
৪২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০২ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: মোহাম্মদের কোরান বলে - তোমরা যদি তোমাদের স্ত্রীর কাছ থেকে অবাধ্যতা আশা কর তাহলে তাকে এটা কর সেটা কর। আর কোনকিছুতে যদি কাজ না হয় তাহলে তাকে আটকে রাখ একটি ঘরে যতদিন না মৃত্যু তাকে কেড়ে নেয়।
আহা কি শান্তির ধর্ম ইসলাম। আহা কি মানবিক। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৪৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০৪ মনজুরুল হক বলেছেন: ঘনাদা,প্রশ্নোত্তর,সাহোশি৬,মানুষের পৃথিবী,শান্তির দেবদূত এবং আরো অনেকে_একটা বিনীত অনুরোধ :
যারা ধর্ম বানিয়েছে,ছড়িয়েছে,লালন করেছে,ফ্রেমাইজ করেছে তারা করেছে শ্রেণীস্বার্থের কারণে। দরিদ্র জনগোষ্ঠি দু'তিন হাজার বছর আগেও যা ছিল,এখোনো তা-ই আছে,আগামীতেও এ ভাগ্য বদলানোর পথ দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টা মোটাদাগে লাগাতার আলোচনা এবং বিতর্কের দাবি রাখে,কিন্তু অর্ন্তজাল তার জন্য যথাযথ জায়গা নয়।আশা করি কাউকে রূষ্ঠ করলাম না। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৪৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৪ সজল বলছি বলেছেন: চোখ বন্ধকইরা মাইনাস
উগ্রতা সৃষ্টি করাই উহাদের কাজ।
এই ছাগলটা কইথেইক্কা ছুইট্টা আইছে? হালা ধর্ম বিশ্বাস না করলে চুপমাইরা থাক। চিল্লাস কেন? আমাগো র্ধমকে অপমান করার অধিকার তোরে কে দিছেরে কুত্তার ছা?
আজব কান্ড হইল কিছূ পাগল ছাগল ভাবে জামাত শিবির যারা করে তারাই মুসলিম।আঃলীগ বা অন্য দল যারা করে তারা সব নাস্তিক। ছাগল গুলারে যে কি করি। আরে তারাতো হইল সবচে বড় অমুসলিম। যারা তার নিজের র্ধম বেইচ্ছা খায় তারা কেমনে মুসলিম হয়? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২১
লেখক বলেছেন: যার ভেতরে উগ্রতা আগে থেকেই আছে, তাকে হালকা সত্য কথার ঝাঁজ লাগিয়ে দিলেই চলে।
আয়নায় একটু তাকিয়ে বলুন তো, আপনি যেটাকে ধর্ম বলে জানেন, সেটা কি আসলেই 'আপনার' ধর্ম?
নাকি মুহম্মদ নামের এক মিথ্যাপরায়ন, বিকৃত যৌনাসক্তের নিজ ইচ্ছাপুরনের হাতিয়ার!
আজ-অব্দি আপনারা কি ব্যাবহৃত হচ্ছেন না সেইসব হুজুর/মোল্লাদের সেবাদাস হিসেবে... যারা একটা বই হাতে নিয়ে চি্ৎকার করে বলে.... 'কাট দেম অল'...??
ভেবে দেখুন তো!
মুছে ফেলুন
৪৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৮ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: মনজুরুল হকের 'অন্তর্জাল' যে ইন্টারনেটের বাংলা অনুবাদ সেটা বুঝতে কয়েক সেকেন্ড সময় লেগেছে, চট করে বুঝতে পারিনি। আপনার বক্তব্যটির সাথে আমি একমত নই। ইন্টারনেট একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম। এবং এর শক্তি ক্রমবর্ধিষ্ণু। জনমত সৃষ্টির জন্য ইন্টারনেট একটি অন্যতম উপযুক্ত স্থান।
ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৪৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২১ জেনারেল বলেছেন: গুড জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২২
লেখক বলেছেন: ভালো।
মুছে ফেলুন
৪৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২৮ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@সজল
গালি বেশী শিখছোস, আয় লাগবি বাজি? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৪৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪১ সজল বলছি বলেছেন: আপনি আসলেই একটি পাগল। কোন মোল্লা আমাকে কখনো নিয়ন্ত্রন করতে পারেনি, পারবেনা। আমাকে কেউ জোর করে মুসলিম বানায়নি। কোন সত্যিকারের মোসলমানকে কেউ নিয়ন্ত্রন করতে পারে না। আমি মুসলিম হিসেবে গর্বিত। আমি ইসলামে শান্তি খুঁজে পাই, তাতে আপনার সমস্যা কোথায়? আমার র্ধমকে অপমান করার র্স্পধা কে দিয়েছে তোমাকে? কিছু মানুষ ইসলামের নামে বোমা বাজি করে। তারা সত্যি কারের ইসলামকে বুঝেনা বলে করে। যারা সত্যিকারের মুসলিম তারা শান্তিবাদী। আর আপনারা কিছু জঙ্গিবাদির জন্য কোটি কোটি শান্তিপ্রিয় মুসলিমকে সন্ত্রাসী আক্ষা দিচ্ছেন, লজ্জা করেনা এসব করতে? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৮
লেখক বলেছেন: বাহ! এইতো মুখে বোল ফুটেছে।
ধর্ম আপনার নিজস্ব ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সেটা নিয়ে ব্লগে এসে কি করছেন, বলুন তো?
আর মুহম্মদের ধান্দাবাজির সফলতার পেছনে আসল কারনটা কি জানেন? বিশাল আর্মি!
এই বিশাল আর্মি ঠিক কি কারনে তাকে সমর্থন করতো, জানেন?
গনিমত!!!
মানে লুটের ভাগ। এমনই বেহায়া এরা, মাল লুট করেছে, আবার নারীদেরও ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে, যেন একধরনের 'মাল'।
সেই ইসলামের নামে আপনি গর্বিত হতে পারেন, হতে পারে আপনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকি মুসলিমদের একই স্টাইলে গনিমতের মাল 'ভোগ' করার পদ্ধতি সমর্থনও করতে পারেন...
লজ্জা আসলে কার করা উচিত?
মুছে ফেলুন
৪৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৬ মনজুরুল হক বলেছেন: @মানুষের পৃথিবী,
আপনি যে জনমতের কথা বলছেন সেটা ইন্টরনেটে ভালভাবেই হতে পারে।একমত। কিন্তু পোস্টটা দেবার পর যে প্রতিক্রিয়াগুলো এসেছে সেটাকে আমি সুস্থবিতর্ক বলতে পারছিনা।
ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৮ নূহান বলেছেন: +
খাসা পোস্ট । জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৮ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@সজল
আপনেরে আপনের বাপ আপনের অনুমতি ছাড়া মুচলমান বানাইচে, নুনু কাইটা দিসে - দেয় নাই?
ট
তার পরেও বলবেন আপনাকে কেউ জোর করে মুসলিম বানায়নি? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫২ সাহোশি৬ বলেছেন: @ এম্নিতেই, খয়বরের যুদ্ধে মোহাম্মদ এবং তাঁর অনুসারী মুসলিমরা শুধু ইহুদী মেরেই ক্ষান্ত ছিল না, মোহাম্মদের supervision এ যুদ্ধ শেষ হবার সাথে সাথে ইহুদী নারীদের ওপর চড়াও হয়েছিল। যে নারীর স্বামী সকালে যুদ্ধে মারা গিয়েছে তাকে রাত্রে ভোগ করেছে মোহাম্মদের অনুসারীরা।
মোহাম্মদ কেন এত যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন? যুদ্ধের মাধ্যমে যে শান্তি আসে না তা তো আমরাই উপলব্ধি করতে পারছি যুদ্ধ শান্তি নয় বরং সৃষ্টি করে অশান্তির। মোহাম্মদ কি সেটা উপলব্ধি করতে পারেন নাই? এত যুদ্ধ করার পেছনে তাহলে কি কারন? উনি কি পৃথিবীতে শান্তি প্রচারের জন্য এসেছিলেন নাকি এসেছিলেন অশান্তি সৃষ্টির জন্য?
খয়বরের যুদ্ধের কারন কি? কেন এই যুদ্ধ শুরু হল? কে এই যুদ্ধ শুরু করল? উত্তর হচ্ছে খয়বরের ইহুদীরা ছিল কানুর ধনরত্নের মালিক। সেই সমস্ত ধনরত্ন পাওয়ার লোভেই মুসলমানেরা খয়বর আক্রমন করে। ইসলামী ইতিহাসবিদদের মতে, এটা ধারণা করা হচ্ছিল যে খয়বরবাসীরা চুক্তি ভংগ করতে যাচ্ছে, তাই মুসলমানেরা খয়বর আক্রমণ করে। ব্যাপার হল, শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে যে যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারে তাকে কি শান্তির দেবদূত বলা যায়? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৬
লেখক বলেছেন: ইতিহাস বারে বারে ফিরে আসে....
স্বামীদের হত্যা করে, সদ্য-বিধবাদের ধর্ষন করার ব্যাপারটা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখেছি। সেই একই মুহম্মদের অনুসারীরাই করেছে, ইসলামের নামে।
মুছে ফেলুন
৫৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৬ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@মনজুরুল হক
সেটা তাহলে ইন্টারনেটের দোষ না, আলোচকদের সমস্যা। আসুন আমরাই সুন্দর একটা আলোচনা করি... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০১ লাল পিপড়া বলেছেন:
আরেকটি উদাহরণ বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। জেরুজালেমের ডোম অফ রক (Dome of the Rock) এর বাইরে লিখিত সব আরবি শব্দ কোরানের যে কোন সংস্করণের চাইতে আলাদা।
--->> বুঝি নাই । জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০৯ সাহোশি৬ বলেছেন: @ মনজুরুল হক, অবশ্যই internet মোক্ষম জায়গা ধর্মের কুফল এবং নাস্তিকতা নিয়ে আলোচনার।
আস্তিকেরা মসজিদ, গীর্জা, মন্দির, প্যাগোডায় আজান দিয়ে, শাঁখ বাজিয়ে, ঘন্টা পিটিয়ে নিজেদের আস্তিক্যবাদের জোড় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ, ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে মোল্লারা, স্বামীজীরা রাস্তায় নেমে, মাইকিং করে আস্তিক্যবাদের প্রচার চালাচ্ছে। একটি শিশু জন্ম নেয়ার সাথে সাথে তাকে ধর্মের বিষ গেলানো হচ্ছে (সেটা কানে আজান দিয়ে হোক আর বাপ্টিজিম করেই হোক)। একজন মানুষ এই পৃথিবীতে নিজেকে চেনার আগে চিনছে ধর্মকে।
সেতুলনায় একজন নাস্তিক কিছুই করে না, খুব বেশী হলে, নিজের গাটের পয়সা করচ করে একটা বই লেখে, অথবা এইরকম ব্লগে নিজের মনের কথা খুলে বলে। আর নাস্তিকের এই সামান্য act এই আস্তিকেরা গেল গেল বলে রব তুলে। কেন? এই পৃথিবীতে সমকামীরাও তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবী জানাচ্ছে। দাবী তোলা তো দূরের কথা, একজন নাস্তিক নিজেকে নাস্তিক বলে পরিচয় দিতেই ভয় পায়। কেন? এ পৃথিবী যতখানি একজন আস্তিকের ততখানি একজন নাস্তিকেরও হওয়া উচৎ। নাস্তিকদের প্রতি এ আচরণের আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
লেখক বলেছেন: ধর্মের গোড়া যে কতটা ঠুনকো তা এইসব হুজুর/মোল্লা/পুরুতেরা জানে। তারা যে আফিম দিয়ে আমজনতাকে বশ করে রেখেছে সে হাঁড়ি হাটে ভেঙে দেবার উপক্রম করেছে নাস্তিক।
তা ই এতো আক্রোশ... গেল গেল রব না তুললে ব্যাবসা চলবে কি করে!
মুছে ফেলুন
৫৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৩ সাহোশি৬ বলেছেন: "ইতিহাস বারে বারে ফিরে আসে....
স্বামীদের হত্যা করে, সদ্য-বিধবাদের ধর্ষন করার ব্যাপারটা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখেছি। সেই একই মুহম্মদের অনুসারীরাই করেছে, ইসলামের নামে।"
ঘনাদা - ধন্যবাদ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৪ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @ঘনাদা
রাত ৪টা বাজে,তাই আপনার এই পোস্ট এর মন্তব্য কাল বলব।
@সাহোশি৬
আপনি কোথা থেকে পেলেন
১।মোহাম্মদ(সঃ) এর দুইজন রক্ষিতা ছিল (সিরিয়া হতে আগত)।
২।খয়বরের যুদ্ধের পর প্রায় নয়শ' ইহুদিকে মেরে ফেলা হয়েছিল মোহাম্মদের নির্দেশে।
৩।৮। মদীনায় হিজরতের পর মোহাম্মদ একটা ক্ষুদ্র গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, তারা ব্যবসায়ীদের ক্যারাভান ছিনতাই করত।
খোদার কসম এর একটাও সত্য না।আর তা যদি হত তা হলে ইসলাম বলতনা ব্যাভিচারকারি কখনো জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা।
আপনি কোথায় এই কথাগুলো পেয়েছেন জানাবেন।।
আমি জানি দিতে পারবেন না।।
@সাহোশি৬,ঘনাদা
খামাখা না জেনে কেন লিখেন এই সব লেখাই রেফারেন্স দিলে দন্ধ থাকে না। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৪
লেখক বলেছেন: হাহাহহা!
"খোদার কসম্!"
খোদা যে আদতে আছে তা কার 'কসম্' করে বলবেন, শুনি?
(নয়া মাল, সদ্য মাদ্রাসাপাস বোঝা যাচ্ছে... )
মুছে ফেলুন
৫৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৯ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
খোদার নামে কসম করে খোদার নবীরে বাচাতে চান? হাসব না কাঁদব?
@স্বাধীন_০৮ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৫৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩২ মনজুরুল হক বলেছেন: আমি সম্ভবত বোঝাতে ব্যার্থ হচ্ছি।
কথা হচ্ছে মোহাম্মদের বিষয়ে। এখানে,মানে নেটে বা ব্লগে বিষয়ের গভীরে না গিয়ে যে কেউ যে কোন মন্তব্য করে বসতে পারেন। করছেনও। তার উত্তর দিতে গিয়ে লেখক এবং বিষয়ের পক্ষের লোকদের মূল আলোচনার বাইরে গিয়ে ঢাল দিয়ে ব্যারিয়ার দিতে হচ্ছে। তাতে করে কি,কেন,কিভাবে সংশ্লিষ্ট গুরু আলোচনাগুলো ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। যেমন আমি যদি বলতে চাই-'মৃত্যুর পরে কিছুই নেই এই ব্যাপারটা ধরতে পারলে আসমানী সব জারিজুরী উবে যায়।' এটা বলার পর পরই হয়ত অন্য এক কমেন্টবোমা হাজির হবে। তখন সেটা নিয়ে লিখতে হবে।না লিখলে মনে করা হবে-পুতিয়ে গেছি! তাই বলছিলাম: এধরণের বিষয় আলোচনা শেষে নিট রেজাল্ট কিছু হয় না,কারণ আলোচক(মন্তব্যকারী)নেপথ্যে থাকে বলে যা খুশি বলে ব্যাখ্যা দেওয়ার দায় থেকেও মুক্ত থাকতে পারে।
আর ব্যক্তিগত ভাবে এই বিষয়গুলো বহুআগে আমার কাছে পরিষ্কার।এ নিয়ে বিতর্ক করে নতুন কিছু শেখার আছে বলে মনে হয় না। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৮
লেখক বলেছেন: আপনি জেনেবু্ঝেই একজন মৃগীরোগীর রোগাক্রান্ত প্রলাপে বিশ্বাস রাখেন?
মুছে ফেলুন
৬০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৪ মইন বলেছেন: লেখেন, লেখতে থাকেন। অন্য সকলকে নিজের চরিত্রের সাথে তুলনা করেন, ভালো।
মাইনাচ দিয়া গেলাম রে ভাই।
মাইন্ড করলেন নাতো, ভাই ডাকায়।
দোয়া করি আপনেগো মানসিকতা যেনো ভালো হয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
লেখক বলেছেন: নারে ভাই, মাইনাসই তো দিয়েছেন.. চাপাতি দিয়েও ধার্মিকগন তাদের মুহম্মদ রক্ষার চেষ্টা করে।
সে তুলনায় আপনি তো মহান.. ভদ্রতাভরে মাইনাস দিয়েছেন।
মুছে ফেলুন
৬১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৭ সাহোশি৬ বলেছেন: @স্বাধীন_০৮
নীচে source এর লিংকগুলো দেয়া হলো। এত খোদার কসম কেটে কি লাভ? আগে যাচাই করুন যার কসম কাটছেন তার অস্তিত্ব আদৌ আছে কিনা?
১।মোহাম্মদ(সঃ) এর দুইজন রক্ষিতা ছিল (সিরিয়া হতে আগত)
source:
Click This Link
Click This Link
২।খয়বরের যুদ্ধের পর প্রায় নয়শ' ইহুদিকে মেরে ফেলা হয়েছিল মোহাম্মদের নির্দেশে।
source
Click This Link
৩। মদীনায় হিজরতের পর মোহাম্মদ একটা ক্ষুদ্র গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, তারা ব্যবসায়ীদের ক্যারাভান ছিনতাই করত।
Soucrce
newsgroups.derkeiler.com/Archive/Soc/soc.culture.arabic/2007-09/msg00029.html জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৭ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
আমি আশা করি মইনের মানসিকতা যেনো ভালো হয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫০ মনজুরুল হক বলেছেন: @ঘনাদা,
আমাকে ভুল বুঝছেন।নাস্তিক্য ঢাকঢোল পিটিয়ে বলার বিষয় নয় আমার মতে। বিষয়টা বোধের। এখন যা স্টাবলিস্ট করতে চাওয়া হচ্ছে তা অনেক আগেই ঝেড়েঝুড়ে বিদেয় করে দিয়েছি।নতুন করে কোন কিছু প্রমাণের দরকার করে না। আপনি তো একজনকে খারিজ করতে চাইছেন ! আমি ঝাড়বংশসমেত খারিজ করে দিয়েছি সেই আদ্দিকালে।খেয়াল করলে দেখবেন, পোস্টের প্রথম দিকেই বলেছি......
এ্যাড করে রাখলাম। পরে পড়ব। অত্যন্ত জরুরি বিষয়।ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে!
মুছে ফেলুন
৬৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫১ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@মনজুরুল
বুঝছেন।নাস্তিক্য ঢাকঢোল পিটিয়ে বলার বিষয় নয়- একটু বুঝি্য়ে বলবেন? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০৩ সাহোশি৬ বলেছেন: Click This Link জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩১ লাল পিপড়া বলেছেন:
আরেকটি উদাহরণ বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। জেরুজালেমের ডোম অফ রক (Dome of the Rock) এর বাইরে লিখিত সব আরবি শব্দ কোরানের যে কোন সংস্করণের চাইতে আলাদা।
--->> বুঝি নাই । জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭ নাজিম উদদীন বলেছেন: এরকম আগেও শুনেছি। মৃগীরোগ খারাপ কিছু না, অনেক বিখ্যাতলোকের মৃগীরোগ (ফিটের ব্যারাম)ছিল। শুনেছি জুতা শুঁকলে নাকি এর বিরাম হয়।
মোহাম্মদের জন্যে খারাপ লাগতাছে। এত কষ্ট করছে তার উম্মতদের জন্যে, পুরো কোরাণ নাজিলের জন্যে তাকে কতবার ফিট হতে হয়েছে কে জানে? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:১৪ দিপু বলেছেন: ফাউল পোস্ট! বিতর্ক সৃষ্টির জন্য!
মাইনাস জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৬৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩০ অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: পোস্টে পেলাচ
আর মুহাম্মদ ও তার সকল মোল্লা দের মাইনাচ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭০. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২০ নিরক্ষর বলেছেন: "আসলে আমাদের দেশে এখন সরকারী খরচে ২ টা নিরাময় কেন্দ্র খুলা আবশ্যক, প্রথমটা হইলো, রাজাকার নিরাময় কেন্দ্র আর দ্বিতীয়টা হইলো নাস্তিক নিয়াময় কেন্দ্র .......।"
ছাগু পোস্টে মাইনাচ...... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২৯ কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ১৩| হজ বিষয়টাও পুরোপুরি পেইগান ধর্ম বিশ্বাস থেকে চুরি করা। যায়গা গুলো সহ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০০ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
যুদ্ধ নিয়া যখন এত কথা। আচ্ছা ৭১ এ কি তাহলে আমরাও যুদ্ধ করে ভুল করেছি।আলবত না।
তাহলে মহাম্মদ (সঃ) এর যুদ্ধ নিয়া এত কথা কেন?
কারও মাথায় গিলু থাকলে তার আর প্রশ্নের অবকাশ থাকে না।
@ ঘনাদা
হরে ভাই মাদ্রাসা পাস।
তেলাপোকারে কয় পাখি,কেচরে কয় সাপ ,আর তুমার একখান মাথা।
মাথা নিয়া দেয়ালে ডুসা দেও।
সব সন্তানের বাবা থাকে।আর তাই তাদের একটা শিকর থাকে।
আর তোমার মত যাদের বাপের ঠিক নাই তারা হয় নাস্তিক।নিজের মারে গিয়া জিগাও বাপ কেডা।দেইখ অইখানে আবার মারে জিগাইও না "মা তুমি সিউর এই ব্যাডা আমার বাপ,আনেক আগের কথাত ভুল হইতে পারে"।
আর মাইনসের কথার তো বিশ্বাস নাই।
তোমার মায় কোন ব্যাডার কতা কয় আমাগো জানাইও,সত হইলেও তুমি বাল ব্যাডার পোলা।
@সব ব্লগার
(পিতা নিয়া কথা বললাম,কেন বললাম চিন্তা করবেন)।
কিছু সাবজেক্ট আছে যা নিয়া কথা বলার সময় চিন্তা করা বলা উচিত।
আসা করি বুঝতে পারছেন।
আমি ঘনাদার প্রতিটা দ্বন্ধের উত্তর খুব শিগ্রই দিচ্ছি।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: আসা=আশা জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @ ঘনাদা ও সাহোশি৬
ইংলিশ বুঝলে পিস টিভি দেখেন,আর না বুঝলে ইসলামিক টিভি দেখেন।
আপনাদের কিছু দন্ধ কেটে যাবে।
আবার বইলেন না ঐখানে সব ভুয়া,কারন আপনাদের থেকেও বড় বড় নাস্তিক আর অমুসলিমরা ঐ অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করতে আসে এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর পায়।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৫. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
আপনার মত অকারন পাগলরা বলে সৃষ্টিকর্তা নাই।
***একটা লাইট যেখানে কেউ সুইচ না টিপলে জ্বলেনা।
আর সেইখানে আপনি বলতেছেন এত বড় দুনিয়া
কেউ সৃষ্টি না করে নাই।এমনি সৃষ্টি হয়ে গেছে।
আল্লাহ আপনাদের সহায় হোন।*****
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৬. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: ***কেউ সৃষ্টি না করে নাই = কেউ সৃষ্টি করে নাই*** জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫২ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: কি হইল ? অনলাইন এ থাইক্কা পোস্ট এর উত্তর দেন না। ।
একজন ব্রাক মাদ্রাসা(!!!!!!) মাদ্রাসার পড়ুয়ার লেখার জবাব দিবার পারেন না,আর ইসলাম নিয়া কতা কইতে আহেন।।যান মিয়া পানি খাইয়া লন।।
আর সাহোশি৬ কোথায়,কথা কও ছোট্টু ভাই।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯ সাহোশি৬ বলেছেন: @ স্বাধীন_০৮
আপনার প্রশ্নগুলো কি? আপনার last প্রশ্ন ছিল "আপনি কোথা থেকে পেলেন
১।মোহাম্মদ(সঃ) এর দুইজন রক্ষিতা ছিল (সিরিয়া হতে আগত)।
২।খয়বরের যুদ্ধের পর প্রায় নয়শ' ইহুদিকে মেরে ফেলা হয়েছিল মোহাম্মদের নির্দেশে।
৩।৮। মদীনায় হিজরতের পর মোহাম্মদ একটা ক্ষুদ্র গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, তারা ব্যবসায়ীদের ক্যারাভান ছিনতাই করত।"
উপরের তথ্যগুলোর source আমি দিয়েছি।
৭১ এ আমাদের যুদ্ধের সাথে মোহাম্মদের করা যুদ্ধকে মিশিয়ে ফেলছেন কেন? মোহাম্মদ ছিল আক্রমনকারী, মোহাম্মদের সময় তাঁর বিরুদ্ধবাদীদের বরদাশত করা হতো না। মোহাম্মদের প্রত্যক্ষ মদদে কত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে তার হিসাবটা জানেন কি?
মোহাম্মদের আল্লাহ শুধু মোহাম্মদের পক্ষই নিয়েছে সব সময়। কেন? অন্য গোত্রের মানুষরা কি আল্লাহ সৃষ্ট নয়? আল্লাহ নিজে অন্য গোত্রকে ধ্বংশ না করে কেন মোহাম্মদকে এ দায়িত্ব দিল?
মোহাম্মদ একমাত্র নবী যার বউদের ঝগড়া থামানোর জন্য আল্লাহকে আয়াত নাজিল করতে হয়েছে, একবার নয় কয়েকবার। শুধু তাই নয়, মোহাম্মদই একমাত্র নবী যার একটা বিয়ে হালাল করার জন্য আল্লাহকে আয়াত নাজিল করতে হয়েছে (যখন সে নিজের পালিত পুত্রের বউকে বিয়ে করেছিল)।
আপনার একটি মন্তব্য হচ্ছে
"***একটা লাইট যেখানে কেউ সুইচ না টিপলে জ্বলেনা।
আর সেইখানে আপনি বলতেছেন এত বড় দুনিয়া
কেউ সৃষ্টি না করে নাই।এমনি সৃষ্টি হয়ে গেছে।
আল্লাহ আপনাদের সহায় হোন।*****"
ভাই এরকম নির্বোধের মতো কথা বললে তো হবে না। যুক্তি তর্কে নামলে যুক্তি দিয়ে প্রমান করে দেন যে এই দুনিয়া আল্লাহ বানিয়েছেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৭ আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: আমি আস্তিক মানুষ।
কেন ঠিক জানি না।
তবে স্বাধীন_০৮,
জাকির নায়েকের অনেক যুক্তিই একটু মোটা দাগের।সেগুলো কে খন্ডানো যায়।কথাগুলো একটু চমতকারীত্ব থাকে বিধায় যারা বিশ্বাস করতে ব্যাগ্র থাকে তাদের জন্য বেদবাক্য হয়ে যায়।
বিশুদ্ধ যুক্তি বা বিজ্ঞানের মানদন্ডে সেগুলো ঠিক মত টিকে থাকে না।কিন্তু আপনার মনে রাখতে হবে জাকির নায়েকের কথা ভুল হলেই ঈশ্বর আছেন কি নেই সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়ে যায় না।
আর আমি মনে করি যে কারো ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্নের অধিকার আছে।ধর্ম যদি শক্ত ভিত্তির উপর দাড়ায় তাহলে তাহলে কেউ প্রশ্ন করলে কি ক্ষতি হয়ে যাবে সেটা বুঝলাম না।
আর আপনি ব্রাকে পড়েন এটা উল্লেখ করার কারন বুঝলাম না। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৫ স্বাধীন_০৮ বলেছেন:
@সাহোশি৬
হা হা at last নিজের পরিচয় নিজে দিলেন।
আরে মিয়া মোটা বুদ্ধির পাদল।।সুইচ টিপার উদাহরনটার মানে বুঝার ক্ষমতা তোমার মত ছা+গো++ল দের নাই।
আর হা রাজাকারের সাথে ইসলাম মিশিয়ে ফেলেন আর ৭১ এর সাথে মহাম্মদ (সঃ) এর যুদ্ধকে তুলনা করলে সমস্যা।
আর হা আমার লেখায় একটা ভুলছিল ((কেউ সৃষ্টি না করে নাই = কেউ সৃষ্টি করে নাই)) যা আমি পড়ে ঠিক করে দেই।
আর আপনি যে সাইট এর কথা বলছেন,এই রকম আরও বহু সাইট আছে।তবে কথা হইল যারা সত্য মিথ্যার পার্থক্য বুঝে তারা আপনার মত এই গুলা নিয়া নাচে না।
আর হা আপনি শুধু ঐ সব সাইট নিয়া মেতে আছেন,আরে ছুট্টু একবার জায়গা মত যা।
ঘরে বসে আপনার উত্তর পাবেনঃ
(((***ইংলিশ বুঝলে পিস টিভি দেখেন,আর না বুঝলে ইসলামিক টিভি দেখেন।
আপনাদের কিছু দন্ধ কেটে যাবে।
আবার বইলেন না ঐখানে সব ভুয়া,কারন আপনাদের থেকেও বড় বড় নাস্তিক আর অমুসলিমরা ঐ অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করতে আসে এবং তাদের প্রশ্নের উত্তর পায়।))))
নাকি টিভি দেখার ধৈর্য নাই।ধৈর্য না থাকলে ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারবেন না।ধৈর্য ধর ছুট্টু ভাই।
(
১। মোহাম্মদ একমাত্র নবী যার বউদের ঝগড়া থামানোর জন্য আল্লাহকে আয়াত নাজিল করতে হয়েছে, একবার নয় কয়েকবার।।
***আয়াত টা কি এবং রেফারেন্স কি?
২।যখন সে নিজের পালিত পুত্রের বউকে বিয়ে করেছি।
পালিত পুত্ররের বঊকে কেন বিয়ে করেছিল জানেন?জানেন না।
আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেতে কেন আপনি একজন ভাল আলেম এর কাছে যাচ্ছেন না।তারা আপনাকে আরও বিশদ ভাবে বুঝাবে।)
(খামাখা আর পেচাল না পেড়ে যা বলছি করেন।আপনার ভাল হবে।) জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৬ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @ আরিফুল হোসেন তুহিন
(আর আমি মনে করি যে কারো ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্নের অধিকার আছে।ধর্ম যদি শক্ত ভিত্তির উপর দাড়ায় তাহলে তাহলে কেউ প্রশ্ন করলে কি ক্ষতি হয়ে যাবে সেটা বুঝলাম না।)
আপনার কথার সূত্র ধরে বলছি ডাঃ জাকির কি তার লেকচার এ ধর্ম বিষয়ে করা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না?একটু খোজ নিবেন।
তিনি তো কাউকে বলছেন না যে "তোমাকে আমার কথা মানতেই হবে,তার যুক্তি পছন্দ হ্লে মানবেন নইলে মানবেন না"।
আর তার মোটা দাগের যুক্তিগুলোতে কি ভুল আছে জানালে উপকৃত হব।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৫ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @ আরিফুল হোসেন তুহিন
**কেন আস্তিক?
Click This Link
এই লিংকে যান।আমার একটা কমেন্ট আছে পড়ে নেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৫ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @ আরিফুল হোসেন তুহিন
**কেন আস্তিক?
Click This Link
এই লিংকে যান।আমার একটা কমেন্ট আছে পড়ে নেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৫ সজল বলছি বলেছেন: হালায় মাতাল......... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৩৩ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
(( সাহোশি৬ ; বলেছেন:
মোহাম্মদের আল্লাহ শুধু মোহাম্মদের পক্ষই নিয়েছে সব সময়। কেন? অন্য গোত্রের মানুষরা কি আল্লাহ সৃষ্ট নয়? আল্লাহ নিজে অন্য গোত্রকে ধ্বংশ না করে কেন মোহাম্মদকে এ দায়িত্ব দিল?))।
কে বলছে অন্য গোত্রের লোকেরা আল্লাহর সৃষ্টি নয়? আবশ্যই তার।
আর হা মুহাম্মদ (সাঃ) যুদ্ধবাজ নেতা ছিলেন না।খায়বর এর যুদ্ধের আগে এমন কোন যুদ্ধ নেই,যেখানে মুসলমানরা আগে যুদ্ধের পথে গিয়েছে।
আর খায়বর এর যুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
"রাসূলুল্লার বিপ্লবী জীবন ,by মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান "
আপনার জানার জন্য বলছি,
মুহাম্মদ (সাঃ) ফুজ্জারের যুদ্ধ বন্ধের জন্য প্রস্তাবিত হিলফুল ফযুল নামক শান্তি চুক্তিতে অংশগ্রহন করেন আর তার একটি উক্তি ছিল
(("" আমাকে ঐ চুক্তির বদলে যদি একটি লাল রং এর উটও দেয়া হত,তবুও আমি কবুল করতাম না ।>>>>)))
আপনার প্রতিটি প্রশ্ন অনেক বড়,তাই উল্লেখিত বইটি পড়ে নিন,সব জানতে পারবেন.।।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১০ ডাঃ রাহেনুল ইসলাম বলেছেন: যে কম্পিউটারে লিখছেন,তা এক হিসেবে কিছু বালি,তামা,অ্যালুমিনিয়াম আর প্লাষ্টিক ছাড়া অর কিছুই নয়,কেজি হিসেবে কিনতে গেলে খুব সামান্যই দাম পড়বে।অথচ এইসব দিয়েই ইন্টেল যা বানিয়েছে দেখুন তা আমরা হাজার গুন বেশী দামে কিনছি ভোগ করছি।অমি বলতে চাইছি আমাদের শরীরের সাপেক্ষে কম্পিউটার অনেক সরল কিন্তু তার ও কিছু নির্দিষ্ট সৃষ্টিকর্তা আছে,আর আমাদের নেই ? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৩২ সাহোশি৬ বলেছেন: @স্বাধীন_০৮ দোষে-গুনে পূর্ন সাধারন মানুষের লেখা এত বই পড়তে হবে কেন? কোরান পড়লে হবে না?
এবার শুনুন কোরানে কি কি বলা আছে ---
সূরা লুকমানে (31:10) আল্লাহর মহিমার বর্ণনা:
"তিনি খুঁটি ছাড়া আকাশকে ছাদরূপে ধরে রেখেছেন ----" (ইসলাম মতে আকাশ হল পৃথিবীর ছাদ)।
কোরানে আরো বলা হয়েছে " এবং আমি পৃথিবীতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি যেন তা সহ এটি না নড়ে" (অর্থাৎ ভূমিকম্প রোধে পাহাড় বানিয়েছেন আল্লাহ) (21:31)
কোরানে বর্ণিত আছে (৩৭: ০৮, 72: 8, 37: 6/10) জ্বীনের কথা যাদের কাজ হল একজনের উপর আরেকজন দাড়িয়ে কানাকানি করে গোপন কথা শুনে ফেলা এ সমস্ত জ্বীনদের ভয় দেখানোর জন্য আল্লাহ আবার উল্কাপাত ঘটান (72: 9, 37:10) কোরানের মতে উল্কাপাত দেখলেই আমাদের বুঝতে হবে আল্লাহ জ্বীনদের শাস্তি দিচ্ছেন ।
স্পার্ম তৈরি হয় মেরুদন্ড এবং পাঁজরের মধ্যবর্তী জায়গা থেকে (86:6-7);
কোরানে মাতা মেরীকে বর্ণনা করা হয়েছে এ্যারোনের বড় বোন হিসাবে (19:28)
--আপনি আপনার প্রতিটা লেখায় আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করছেন (যেমন: আরে ছুট্টু একবার জায়গা মত যা। আরে মিয়া মোটা বুদ্ধির পাদল।।সুইচ টিপার উদাহরনটার মানে বুঝার ক্ষমতা তোমার মত ছা+গো++ল দের নাই)।
নিজেরা কাদা ছুড়াছুড়ি না করে বরং আসুন নিজেদের যুক_তিগুলো তুলে ধরি।
রেফারেন্স: Click This Link জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: @স্বাধীন_০৮ এবং বিশেষসৃষ্টিতত্ত্ববাদী। দয়া করে একটি সরল প্রশ্নের উত্তর দিন। একটি দিয়াশালাইয়ের মতো সাধারণ বস্তু তৈরী কিংবা অস্তিত্বশীল করতে যদি একজন সৃষ্টিকর্তা লাগেই, তাহলে ঈশ্বরের মতো এত বুদ্ধিসম্পন্ন বিশাল অস্তিত্বটি কি কোনরূপ সৃষ্টিকর্তা ছাড়াই সৃষ্টি হয়ে গেল?
আর এমন একটি জটিল অস্তিত্বের পক্ষে যদি স্বত:স্ফূর্তভাবে অস্তিত্বশীল হওয়া সম্ভব হয়, তাহলে তার চেয়ে কোটি কোটি গুণ সরল বস্তু/প্রাণীসমূহের পক্ষে তা সম্ভব নয় কেন? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৮ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
১। কোরানে আরো বলা হয়েছে " এবং আমি পৃথিবীতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি যেন তা সহ এটি না নড়ে" (অর্থাৎ ভূমিকম্প রোধে পাহাড় বানিয়েছেন আল্লাহ) (21:31)
**উত্তরে বলছিঃ
এই প্রশ্নের উত্তরে এখন একটা কথা বলছি।পর্বতমালা ভূপৃস্ঠের অভ্যন্তরে থাকা প্লেটগুলোকে ঠিক স্থানে থাকতে সাহায্য করে।
আর কিভাবে করে তা আপনি ভাল একজন ভূতত্তবিদ এর কাছ থেকে জেনেনিন।
*****বাকি প্রশ্নের উত্তরগুলোও আমি দিব।****
আর হা কোরান এর প্রতিটি কথার অন্তর্নিহিত অর্থ আছে,আপনি তা বুঝেনিন (যারা কোরান সম্পর্কে বিষদ ধারনা রাখে) আশা করি আপনার সব দন্ধ কেটে যাবে।
আমরা সবাই সব বিষয়ে সম্পূর্ন রূপে জানি না।কোরানকে ব্যাখ্যা করতে যা আবশ্যাক।
আর হা আপনার কথা আনুসারে বলছি,আপনি যে লিংকগুলো দিয়েছেন আপনি কিভাবে নিশ্চিত তারা ঠিক কথা বলেছে।কারন যারা তারাও তো মানুষ।
@মানুষের পৃথিবী
ভাইরে মানুষ যেখানে এই পৃথিবী মধ্যে থাকা বস্তু নিয়া গবেষনা
করেই শেষ করতে পারে নাই।আর এই সময়ে আপনি চাচ্ছেন এই
মাহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা কোথা থেকে এসেছে।প্রশ্নটা কি আবান্তর নয়।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৫ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি
দোষে-গুনে পূর্ন সাধারন মানুষের লেখা এত বই পড়তে হবে কেন? কোরান পড়লে হবে না?
মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়া যা জানা গেছে আর যা লিখা হয় তার অধিকাংশ কোরান থেকে পাওয়া।
কি বলতে চেয়েছি আশা করি বুঝেছেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৫ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি
(দোষে-গুনে পূর্ন সাধারন মানুষের লেখা এত বই পড়তে হবে কেন? কোরান পড়লে হবে না?)
**উত্তরে বলছিঃ
মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়া যা জানা গেছে আর যা লিখা হয় তার অধিকাংশ কোরান থেকে পাওয়া।
কি বলতে চেয়েছি আশা করি বুঝেছেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৬ সাহোশি৬ বলেছেন: @স্বাধীন_০৮
ভূমিকম্প রোধে পাহাড়ের সৃষ্টি হয়েছে এটা মেনে নেয়া যায় না বরং পাহাড় তৈরি হয়েছে ভূমিকম্পের কারণে। Click This Link
"মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়া যা জানা গেছে আর যা লিখা হয় তার অধিকাংশ কোরান থেকে পাওয়া।"
যখন কোন মুসলিম মোহাম্মদ সম্পর্কে লেখে তখন হয়ত তাই, কিন্তু যখন কোন অমুসলিম মোহাম্মদ সম্পর্কে ধারণা নিতে চায় তখন সে মোহাম্মদের সময়কার আরব সমাজ সম্পর্কেও সম্যক ধারণা নিতে চায়। একজন মানুষ সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমে তার সমাজ, সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে হবে।
meaning সহ কোরান পড়লে এবং মোহাম্মদের character জানার পর মনে হয় না কোরান কোন ঐশীবানী হতে পারে। ইসলামের বিস্তৃতি হয়েছে তরবারির নীচে। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে শুরু করে বর্তমান যুগ পর্যন্ত কখনোই ইসলাম বিরোধিতাকারীদের বরদাশত করা হয় নি।
কোরান কোন organized বই নয়। এর এক সুরার সাথে অন্য সুরার কোন link নেই। এটা haphazardly organized। কোরানে আল্লাহ চ্যালেন্জ করেছেন যে কোন মানুষের পক্ষে কোরানের মতো বই লেখা সম্ভব নয়, অথচ আমার মতো নাস্তিকের কাছে মনে হয় এ পৃথিবীতে অসংখ্য বই আছে যে গুলো কোরানের তুলনায় অনেকগুন উৎকৃষ্ট। ঐ বইগুলোর তুলনায় কোরান কিছুই না। কোরানকে ঐ বইগুলোর সাথে তুলনাই করা যায় না (যেমন বর্তমানকালে রচিত যে কোন বই কোরানের তুলনায় অনেক বেশী organized)। কোরানে বর্ণিত অনেক ঘটনাই অবাস্তব (যেগুলোর ব্যাপারে ইসলামিক চিন্তাবিদদের মন্তব্য হলো যে এগুলো কোরানে এসেছে উদাহারন স্বরূপ, যেমন: জুলকারনাইনের সূর্য ডুবতে দেখার ঘটনা)।
আমার মনে হয় আমি এবং আপনি আমৃত্যু বিতর্ক চালিয়ে যেতে পারি তবু কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারব না, আমি নাস্তিকই থেকে যাব এবং আপনি অবশ্যই আস্তিক ধারণা নিয়ে বেঁচে থাকবেন। তাই আমার মনে হয় আমার এখানেই থেমে যাওয়া উচিৎ, অন্তত আমার কিছু সময় বাঁচবে।
আমার মতো নাস্তিকের ব্যাপারে অবশ্য আল্লাহ সুরে বাকারাতেই বলে দিয়েছেন যে তিনি আমাদের কানে সীসা ঢেলে দিয়েছেন, চোখে ঠুলী পড়িয়ে দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের আর কোন পথ খোলা নেই।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৭ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: আমি জানি না আপনি কি সব বই এর কথা বলেছেন।আমর মতে the 100 বইতে মুহাম্মদ (সাঃ) কে প্রথম স্থান দেয়া হয়েছে।যা একজন অমুসলিম লিখিত।(এর ভিত্তি নিয়া প্রশ্ন না করাই ভাল)
ইসলাম পক্ষে বিপক্ষে আনেক সাইট আছে।আপনি আপনার সব প্রশ্ন
নিয়া ভাল একজন ইসলামবিদ এর কাছে যান,তিনি আপনার সব
প্রশ্নের আশা করি সদউত্তর দিতে পারবেন।
যতগুলো ইসলাম বিরুধী সাইট আপনি দেখেছেন,ততবার একজন ভাল একজন ইসলামবিদ এর কাছে গেলে আপনার কিছুটা হলেও লাভ হত।
আমি আশা করি আপনি তা করবেন।
আপনি আমার ধর্মের বিরুদ্ধে লিখেছেন এইজন্য আপনাকে এত কথা আমি বলি নাই ,আমি আপনার ভুলগুলো নিয়া বলার চেস্টা করেছি মাত্র।
***স্পার্ম তৈরি হয় মেরুদন্ড এবং পাঁজরের মধ্যবর্তী জায়গা থেকে (86:6-7);
এইটা নিয়া আমি আমার এক মেডিকেল পড়ুয়া(৩ বর্ষ) বন্ধুকে বলেছিলাম এবং এর সত্যতা পেয়েছি।এই বিষয়ে বুঝাতে গেলে এন্যাটমির বিশধ knowledge থাকা লাগবে।আপনি এমন কাউকে প্রশ্ন করুন উত্তর পাবেন।
আর কোরান নিয়া বলেন আর মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়া বলেন কোনটা নিয়া আপনাকে সম্পূর্ন বুঝানো ক্ষমতা আমার মত ক্ষুদ্র লোকের নাই।
অন্ধকারে থাকলে খালি অন্ধকার দেখবেন,একটু আলো থেকে ঘুরে আসুন।
আল্লাহ আপনার ভাল করুন।ভাল থাকবেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৫ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
*** উপরের পোস্ট সহ,***
((How mountains formed মানে এরা কিভাবে গঠিত।))
পাহাড় এর কার্যকারিতা এর দ্বারা প্রকাশিত হয় না।
আপনি ভুল সাইট এ গিয়েছেন।
কষ্ট করে ভাল কোন সাইট যেখানে পাহাড় নিয়া বিস্তারিত আছে যান।আমিই দিতাম কিন্তু রাত অনেক হইছে।আমি পরে পোস্ট ক্রে দিব।
অথবা আপনি ভাল একজন ভূতত্তবিদ এর কাছ থেকে জেনেনিন। সেই ভাল বলতে পারবে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:০৭ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
স্পার্ম তৈরি হয় মেরুদন্ড এবং পাঁজরের মধ্যবর্তী জায়গা থেকে (86:6-7);
উত্তরে বলছিঃ
Click This Link
এই লিংকে যান।চিত্র পাবেন।
আর হা মেডিকেল সাইন্স এ পাজর বলে "শ্রোণীচক্র" কে বুঝানো হয়।
শ্রোণীচক্র কি?
see :H.S.C BIOLOGY BOOK WRITTEN BY ""NILOFAR
YASMIN"" PAGE NO "176".
বুঝার সুবিধার্থে বলছি,
টেস্টিকল হতে ভাস ডিফারেন্স নালি দিয়ে শুক্রানু গিয়ে সেমিনাল ভেসিকল এ আরো কিছু গ্রন্থি রস এর সাথে মিলিত হয়ে স্পার্ম সৃস্টি হয়।
আর এই সেমিনাল ভেসিকল থাকে "মেরুদন্ড এবং পাঁজরের মধ্যবর্তী জায়গায়" আর এইখান থেকেই তা প্রয়োজনে নিসৃত হয় বলে একেই বলা হয় উপত্তি স্থল।
এ ব্যাপারে ডাক্তারা আরও ভাল বলতে পারবেন।
(ঐ চিত্রে যা বলা আছে,হুবুহ বাংলা না করে একটু ভাস্টলি জানবেন।আপনার প্রশ্নের উত্তর তা না হলে পাবেন না।চিত্রটাকে আমার লেখার সাথে মিলিয়ে পড়লে বুঝে যাবেন।)
আর চিত্র না বুঝলে
H.S.C BIOLOGY BOOK WRITTEN BY ""NILOFAR
YASMIN"" PAGE NO "276".
দেখুন বাংলায় দেয়া আছে।
***আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যানে এখন বোনমেরু থেকেও বিষেশ ভাবে স্পার্ম নেয়া হয়।তবে তা বিষেশ ক্ষেত্রে।এবং তা প্রথমিক পর্যায় আছে।
নারিদের ক্ষেত্রে একই জায়গা।
ভাল লাগলে। আশা করি উত্তর দিবেন।
আরও প্রশ্ন থাকলে পোস্ট করুন।আনেক পুরাতন পড়া ঝালাই হয়ে যাচ্ছে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২১ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: @সাহোশি৬
((কোরান কোন organized বই নয়।))
কোরান এর প্রতিটি আক্ষর থেকে নিয়া দরি,কমা ম্যাথম্যাটিকাল ভাবে হিসাব করা।আর এটি বহুবার বহুজন করেছেন।
((অথচ আমার মতো নাস্তিকের কাছে মনে হয় এ পৃথিবীতে অসংখ্য বই আছে যে গুলো কোরানের তুলনায় অনেকগুন উৎকৃষ্ট।))
তাই নাকি,
কোরান হল সবচেয়ে বেশি পঠিত বই।
আর হা সব নাস্তিকদের কাছে আমার প্রশ্ন আছে।আমিত আনেক প্রশ্নের উত্তর দিলাম। আপনারা আমার একটা দেন?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬ স্বাধীন_০৮ বলেছেন: দরি =দারি জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৪ মোহাঃ তাওহীদুল হাসান বলেছেন: ভালা লাগেনাই মাইনাচ
আল্লাহ আপনার ভাল করুন জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৯৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৫ পরিবর্তীত আত্মোপলদ্ধি বলেছেন: আমি এই লেখার প্রতিটা তথ্যের সূত্রতা আশা করছি লেখকের কাছ থেকে। আশা করি দেবেন। এবং আপনি কি সব তথ্য যাচাই করেছেন? হলে আমাকেও resource গুলো দেবেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫১
লেখক বলেছেন: 'সুত্রতা' কি জিনিস ভাইজান?
খায় না মাতাত দেয়?
আগে যান পাঁচ কেলাশের বাংলা বই মুকস্ত কৈরা আসেন। তারপরে কতা..!
মুছে ফেলুন
১০০. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১২ পরিবর্তীত আত্মোপলদ্ধি বলেছেন: Click This Link
এই লিংকটার ব্যাপারে কিছু কখা - কিছু পাবলিক আছে যারা কথার মাঝখান থেকে একটা লাইন শুনে ঐটার ভুল ব্যাখ্খা দাড় করায় শুধু বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য। আগে বা পরে কোনো কথা শুনে না। এবং ঐটা নিয়া তিল কে তাল বানায়।
লেখক কে বলছি - আপনি যেই reference টা দিয়েছেন তারা ঐ ধরনের লোক। দয়া করে এই ব্যাপার টা নিয়ে পড়ুন, কোন সময়ের উক্তি এবং কোন সময়ের জন্য প্রযোজ্য, তাৎপর্য সহ। যদি জানেন তাহলে বলবো, ভালো, একটু দয়া করে refer করুন। আর না জানলে বলুন, আমি refer করি অথবা post করি। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪ বিবিধ বলেছেন: মাইনাচ - - - - - - - - - - - জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৯ ডাঃ রাহেনুল ইসলাম বলেছেন: "স্পার্ম তৈরি হয় মেরুদন্ড এবং পাঁজরের মধ্যবর্তী জায়গা থেকে (86:6-7), " একমত হতে পারছিনা। পাঁজর বলতে আমার জানা মতে বোঝায় থোরাসিক কেইজ বা বুকের খাচার হাড়,আর যদি তা কথার কথা হিসেবে শ্রোনীচক্র ও বোঝায় তার সানে কি বাংলা ভাষায় পাঁজর এর অর্থ দুটো ? সুত্র হিসেবে যে বইয়ের উল্লেখ করা আছে তা কোন প্রমিত সূত্র হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়। যাই হোক,আমি আপনার সাথে বা আপনি আমার সাথে একমত না হতেই পারি,কিন্তু তাই বলে কাউকেই ছোট করা উচিৎ নয় জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২০ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: @স্বাধীন_০৮ এবং তার মতো অন্যান্য:
সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করলো এ প্রশ্নের উত্তরে আপনি বললেন:
'ভাইরে মানুষ যেখানে এই পৃথিবী মধ্যে থাকা বস্তু নিয়া গবেষনা
করেই শেষ করতে পারে নাই।আর এই সময়ে আপনি চাচ্ছেন এই
মাহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা কোথা থেকে এসেছে।প্রশ্নটা কি আবান্তর নয়।'
এটা কি সত্যিকার অর্থে এই প্রশ্নের উত্তর হলো?
আর সাহোশি৬-র 'কোরানের চেয়ে বহুগুণে অরগানাইজড এবং উৎকৃষ্ট বই ভুড়ি ভুড়ি রয়েছে' এই কথার উত্তরে আপনি বলেছেন: কোরান পৃথিবীতে সবচাইতে বেশী পঠিত বই। সবচাইতে বেশী পঠিত হলেই কি একটি বই শ্রেষ্ঠ হয়ে যায়? ঋত্বিক ঘটকের 'পালঙ্ক' ছবিটি দর্শকের অভাবে দুইদিনের মাথায় মধুমিতা থেকে নামিয়ে ফেলতে হয়েছিল আর ডিপজলের ছবি মাসের পর মাস হাউসফুল যায়। তাহলে কি ডিপজলের ছবিই সেরা? একটু ভেবে কথা বলবেন। আপনার পুজাপ্রার্থী ঈশ্বরকে বলবেন একটু যেন বুদ্ধিটা বাড়িয়ে দেয়।
পুনশ্চ: আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে- পৃথিবীতে সবচাইতে বহুল পঠিত বই আসলে বাইবেল, কোরান নয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩২ মানুষের পৃথিবী বলেছেন: কোরানের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হওয়া নিয়ে:
কি জানেন, এগার বার বছরের একটি শিশু যখন মহাশ্রদ্ধায় কোরান পড়ছে সে যদি জানতো যে সে যা পড়ছে তাহলো- তোমাদের জন্য সেখানে রয়েছে আনত নয়না, গৌরবর্ণের নারীগণ কোন পুরুষ যাদেরকে ইতোপূর্বে ব্যবহার করেনি। কিংবা, .... তারপরও যদি কাজ না হয় তাহলে তাকে (তোমার স্ত্রীকে) একটি ঘরে বন্দী রাখ যতক্ষণ তার মৃত্যু না হয়। কিংবা, আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক। তাহলে কি সেই শিশুটির মধ্যে কোরান সম্পর্কে কি খুব উন্নত ধারণার জন্ম হতো?
আপনারা নাস্তিকদেরকে সুযোগ দিয়ে দেখুন হাটে মাঠে ঘাটে প্যান্ডেলে মাইকে। দেখুন কোথায় থাকে মোহাম্মদ আর তার রচিত হিংসা আর পর্নোগ্রন্থ কোরান। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬ শফিকুল বলেছেন: মৃগি রোগটা আসলে কি জিনিস। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০৬. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪০ পরিবর্তীত আত্মোপলদ্ধি বলেছেন: আসল কথায় না আইসা ধরলেন আমার ভাষার ভুল - ভন্ডামি ছাড়েন, পারলে দেখান।
মানুষের পৃথিবী - আপনার জন্যও একি কথা আবার বলবো - কিছু পাবলিক আছে যারা কথার মাঝখান থেকে একটা লাইন শুনে ঐটার ভুল ব্যাখ্খা দাড় করায় শুধু বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য। আগে বা পরে কোনো কথা শুনে না। এবং ঐটা নিয়া তিল কে তাল বানায়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০৭. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪২ এমিল বলেছেন: শ্রোণিচক্র (pelvic girdle)।
মেল বা ফিমেল রিপ্রোডাক্টিভ অরগান গুলো এই এলাকাতেই অবস্থিত
@স্বাধীন
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১০৮. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০ বোকামাষ্টার বলেছেন: কিছু বলার ভাষা খুজে পাচ্ছিনা।
আপনার দ্বিমত থাকতেই পারে, আপনি বলতেই পারেন, কিন্তু হযরত মোহাম্মদ (সা এর মতো একজন ব্যক্তিত্ব কে নোংরা ভাষায় বর্ণনা করাটা বোধহয় ঠিক না। নাস্তিক হওয়ার পূর্বশর্ত কারো চরিত্র হনন করা না।
কোন প্রামাণ্য রেফারেন্স ছাড়া আপনার পোষ্টে বা কমেন্টস এ যে সব তথ্য দিয়ে অশালীন ভাবে আপনার পোষ্টের হিট বাড়ানোর অপচেষ্টা করেছেন তা নিন্দার্হ।
আপনিই বলছেন ধর্ম ব্যক্তিগত সীমানার ভেতর রাখা উচিৎ আবার আপনিই এধরণের পোষ্ট দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন - ব্যাপারটা স্ববিরোধী হয়ে গেলনা কি?
"সাহোশি৬ বলেছেন: ... ... ... আমার মতো নাস্তিকের ব্যাপারে অবশ্য আল্লাহ সুরে বাকারাতেই বলে দিয়েছেন যে তিনি আমাদের কানে সীসা ঢেলে দিয়েছেন, চোখে ঠুলী পড়িয়ে দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের আর কোন পথ খোলা নেই।"
সঠিক ব্যাপারটা ধরতে পারায় ধন্যবাদ।
যেসব পন্ডিতদের(!?) রেফারেন্স দিয়ে মোহাম্মদ (সাঃ) এর চরিত্র হননের মতো ন্যাক্কারজনক কাজে নেমেছেন সেই পন্ডিতরাও কিন্তু সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে মোহাম্মদ (সাঃ) কে ই স্বীকার করে নিয়েছেন।
লেখা পড়ে বোঝা যাচ্ছে কোরাণ নিয়ে কিছুটা হয়তো পড়াশোনা করেছেন (অন্ততঃ বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য যেটুকু প্রয়োজন, সেটুকু), তাই আশা করছি জানেন যে আপনাদের মতো লোকদের জন্যই "লাক্বুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়া দ্বীন" আয়াতটি নাজিল হয়েছিল। দয়া করে সেটা মেনে চলুন।
আর নিজের পোষ্টে হিট বাড়াতে চাইলে এধরণের অসংযত ও আপত্তিকর পোষ্ট না দিয়ে রসময় গুপ্তের পথ অনুসরণ করুন, গুপ্তসাহিত্যে আপনি ভালো প্রচারও পাবেন, পোষ্টের হিটও বাড়বে।
যুক্তিসংগত কারণেই মাইনাস, আরো বেশি কিছু দেয়ার থাকলে তাও দিতাম।
আপনাদের মতো লোকদের জন্য প্রার্থনা " এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা কর।" জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
লেখক বলেছেন: কিন্তু কোয়েচ্চেন টা হৈলো... জ্ঞান যেই ব্যাটা 'প্রভু' দিবে, সেই ব্যাটা আসপে কুত্থেকে গো...!!
স্যা ব্যাটার তো অস্তিত্বই নেইকো...
মুছে ফেলুন
১০৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২ বোকামাষ্টার বলেছেন: পড়ুন : (সা = (সাঃ) জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৯ প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
যতবার পড়ি হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাই...ছাগল্গুলার মাথায় কয়লা ভরা! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৭ নামহীনা বলেছেন: আপনারে কইষ্যা মাইনাচ, যান অন্যখানে নলেজ বিতরন করেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪২ সামিউল জাহান বলেছেন: একটা জিনিস খেয়াল করেন, তাগো আক্রমনের মূল বিষয় কিন্তু ইসলাম,
হিন্দূরা যারা মুর্তি বানিয়ে তার পায়ে গড়াগড়ি খায়, খ্রিষ্টানরা যারা একজন মানুষকে ঈশ্বরপুত্র বলে,
বৌদ্ধরা যারা গৌতম বুদ্ধকে ভগবান বলে তাদের কিন্তু তারা কমই আক্রমন করে, বেশী করে ইসলামকে কারণ,
ইসলামই যা একমাত্র সত্য ধর্ম। একমাত্রই ইসলামই যে সকল বাতিলের বিরুদ্ধে। বাতিল পথের মানুষেরা তো চাইবেই ইসলামকে হেয় করতে।
এর কিন্তু একটা ভালো দিক আছে। ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করি।নবী করিম(peace be upon him) যখন ইসলামের
বানী নিয়ে আসলো তখন কিন্তু ইসলাম প্রচার অনেকাংশে হয়েছে অমুসলিমদের দ্বারাই।কি রকম ভাবে?
আবু জেহেল বাড়ী বাড়ী গিয়ে বলে আসলো ,'তোমরা শোন মুহম্মাদ বলতেছে সে নাকি আল্লাহর বানী
নিয়ে আসছে।তোমরা খবরদার তার কাছে যাবানা ,তার কথা শুনবানা।' তখন অনেকেই চিন্তা করলো
মুহাম্মাদ কি বলে শোনা দরকার। তারা মুহাম্মাদের কাছে গেলো, মুহাম্মাদ তখন কোরানের বানী পাঠ করতেছিলেন।
তারা কানে আঙ্গূল দিয়ে গিয়েছিলো, তারা কান থেকে আঙ্গুল সরিয়ে ফেললো, তখন কোরানের মধুর
আয়াত শুনে অনেকেই সাথে ইসলাম কবুল করলো। দেখেন একজন কাফের বাড়ী বাড়ী গিয়ে মানুষের
কাছে গিয়ে দাওয়াত দিয়ে আসছে।আল্লাহর কি মহিমা!
আর এ যুগে দেখেন ৯/১১ এর পরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে পশ্চিমাদের আগ্রহ বেড়ে গেছে। তারা লাইব্রেরীতে গিয়ে
খোজ করছে মুসলমানদের বাইবেল আছে কিনা! তারা এমনকি জানেও না মুসলমানদের বাইবেল নেই আছে কোরান।
তারা কোরান সংগ্রহ করছে, নিয়ে পড়ছে, এবং যখন দেখছে যে তাদের জীবনের সকল সমস্যার সমাধান আছে কোরানে
তখন তারা বলছে, 'লা ইলাহা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ'।বর্তমানে 'ISLAM is the fastest growing
religion'.
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১৩. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮ স্বজন বলেছেন: ছাগুমার্কা পোষ্ট। মাইনাচ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১৪. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০১ প্রথম বাংলা বলেছেন:
হাদীসের ছয় জন সংকলকের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত হলেন বুখারি। তিনি মোহাম্মদের মৃত্যুর ২৩৮ বছর পর মারা যান। বুখারির সংগ্রহকে মুসলমানরা সবচাইতে নির্ভরযোগ্য এবং সত্যি বলে গণ্য করে। তাঁর যোগ্যতার মাপকাঠি সম্পর্কেও মুসলমানদের মধ্যে সুখ্যাতি আছে। তিনি হাদীস সংগ্রহের জন্য সারাজীবনে ত্রিশ লক্ষ সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে বিশ লক্ষ সাক্ষ্যকে তিনি মূল্যহীন এবং অগ্রহণযোগ্য বলে চিহ্নিত করেছেন। আরও কিছু সন্দেহজনক, অনিশ্চিত, দ্বিধাপূর্ণ বিশ্বাস এবং প্রশ্নবিদ্ধ ধর্মীয় আচরণের কারণে বর্জন করতেকরতে তার সংগৃহীত হাদীসের সংখ্যা মোট দশ হাজারে নেমে আসে।
বুখারী ২০০বছর পড় সত্য জানতে পাড়েনি* ----
কিন্তু ১৫০০ বছর পর (আপনারা) কিভাবে জানলেন ?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১৫. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪১ কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: মুহাম্মাদ শুধু 'মৃগীরোগ' জাতীয় উপায়ে ওহী পাননি, আরো কিছু অবস্থায় পেয়েছিলেন, সেগুলিও বলা দরকার ছিল।
জিব্রাইল একজন ফেরেশতা বা মালাইক, বিশ্বাসমতে তিনি নারী বা পুরুষ নন।
উর্ধাকাশে গমনের বাহনটি, যেটি পরে myth আকারে প্রকাশিত হয় নারীরুপে, মুহাম্মাদ তাকে চিত্রিত করেননি। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১১৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫ গোলন্দাজ বলেছেন: অল্প বিদ্দা ভয়ঙ্কর ...... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৪
লেখক বলেছেন: হ! বিদ্যা বানান শিখ্যা আসো আগে।
মুছে ফেলুন
১১৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১১ আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ব্লগে একটা কালচার শুরু হয়েছে , কিছু বিকৃত রুচির লেখক বিভ্রান্তি তৈরির জন্য মন-গড়া পোষ্ট দিচ্ছে, আর এরপোর তার চ্যালা-পেলারা মিল্যা সমানে আজাইরা, অশালীন কমেন্ট আর রিপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে। এই সব ভন্ডদের পোষ্টে কমেন্ট দেয়া আর টাইম+ইন্টারনেট ব্যন্ডউইথ নষ্ট করার কোন মানে হয় না। তারপরও নীতিবোধ থেকে কমেন্ট দিলাম।
মাইনাস জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৫
লেখক বলেছেন: আমড়া কাঠ দিয়া ঢেঁকিও তৈরি হয় দেখি আজকাল!
মুছে ফেলুন
আপনার মন্তব্য লিখুন
নাম
ইউনিজয় ফোনেটিক সাহায্য বিজয় ইংলিশ | ভার্চুয়াল কি বোর্ড
নোটিশ বক্সআপনার নোটিশ বক্সটি দেখুন
ঘনাদা
চরিত্রটা ভালো লাগত।
আর এস এস ফিড
ঘনাদা
nick: MiltonUK
পোস্ট আর্কাইভডিসেম্বর,২০০৮(৫)
কি তামশা!! দেখি আর বেদম হাসি পায়!
হাসতে হাসতে শ্যাষ, এই হইলো আমাগো রাজনীতিবিদগো অবস্তা!
পরমানু মাথাব্যাথা - ২: হিজবুতের চ্যালায় ভালো কথায় বিলাই বেজার!
খন্ডিত 'সমাধান', নাম তার ইসলাম
জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা-২০০৮ অনুমোদন
নভেম্বর,২০০৮(৮)
অক্টোবর,২০০৮(৭)
সেপ্টেম্বর,২০০৮(৭)
আগস্ট,২০০৮(৬)
জুলাই,২০০৮(১৬)
জুন,২০০৮(৪)
মে,২০০৮(৮)আমার লিঙ্কসএথিস্ট রিসোর্সেস
নাস্তিকের ধর্মকথা
মুক্তচিন্তা রিসোর্সেস
আমার বিভাগকোন বিভাগ নেই
সর্বমোট হিট ১২৭২৭
বর্ননা লিখতে গিয়েই সবসময় ধন্দে পড়ে যাই। কি লিখ্বো, কি লেখা উচিত/অনুচিত। ধু্ত্তোরি! (ঠিক আছে, এ্টাই থাকুক)
Sunday, 11 January 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment
গঠনমূলক কিছু বলতে চাইলে...